৫ সাক্ষীকে জেরার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে খালেদার আবেদন “জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা”

0
80

khaleda-zia_(4)_305408ঢাকা: জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ সাক্ষীকে জেরা করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বুধবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবীরা এই আবেদন করেন। পরে তার আইনজীবী জাকির হোসেন ভুঁইয়া সাংবাদিকদের জানান, বিচারপতি মো. শওকত হোসেন ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামী রোববার শুনানি হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘এ মামলার সাক্ষী মোট ৩৬ জন। পাঁচজন সাক্ষীর জেরার বিষয়ে এর আগে আমরা ডিক্লাইন (জেরা করতে অস্বীকার করা) করেছিলাম। পরে অন্যান্য সাক্ষীকে জেরার পর্যায়ে আমাদের মনে হয়েছে, ওই পাঁচজনকেও জেরা করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে আবেদন করা হলে রাষ্ট্রপক্ষের আপত্তি মঞ্জুর করে বিচারিক আদালত গত ৮ জুন তা নাকচ করেছেন। এ কারণে ওই পাঁচ সাক্ষীকে জেরার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে আবেদনটি করা হয়েছে।’

মামলার বিবরণে জানা যায়, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির এ মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি খালেদা জিয়াসহ চার জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

অন্য আসামিরা হলেন— খালেদা জিয়ার তৎকালীন একান্ত রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, বিআইডব্লিউটিএর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। বৃহস্পতিবার ঢাকার বিচারিক আদালতে এই মামলার শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ সাক্ষীকে জেরা করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বুধবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবীরা এই আবেদন করেন।

পরে তার আইনজীবী জাকির হোসেন ভুঁইয়া সাংবাদিকদের জানান, বিচারপতি মো. শওকত হোসেন ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামী রোববার শুনানি হতে পারে। তিনি বলেন, ‘এ মামলার সাক্ষী মোট ৩৬ জন। পাঁচজন সাক্ষীর জেরার বিষয়ে এর আগে আমরা ডিক্লাইন (জেরা করতে অস্বীকার করা) করেছিলাম। পরে অন্যান্য সাক্ষীকে জেরার পর্যায়ে আমাদের মনে হয়েছে, ওই পাঁচজনকেও জেরা করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে আবেদন করা হলে রাষ্ট্রপক্ষের আপত্তি মঞ্জুর করে বিচারিক আদালত গত ৮ জুন তা নাকচ করেছেন। এ কারণে ওই পাঁচ সাক্ষীকে জেরার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে আবেদনটি করা হয়েছে।’ মামলার বিবরণে জানা যায়, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির এ মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি খালেদা জিয়াসহ চার জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। অন্য আসামিরা হলেন— খালেদা জিয়ার তৎকালীন একান্ত রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, বিআইডব্লিউটিএর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। বৃহস্পতিবার ঢাকার বিচারিক আদালতে এই মামলার শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here