২১ আমাদের চেতনার উন্মেষ ঘটায়,যার পথ বেয়ে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করিঃ ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ

0
210

02262017_01_DENMARK_ALকোপেনহেগেনঃ “২১ ফেব্রুয়ারি শুধু দিবস নয়, ২১ আমাদের চেতনার উন্মেষ ঘটায়, আমাদের চেতনাবোধ, আত্মমর্যাদাবোধ জাগ্রত করে। যার পথ বেয়ে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করি।”

বলেনঃ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জননেত্রীর এই উক্তিটিকে বাঙ্গালী জাতির প্রাণের কথা এবং বঙ্গবন্ধু বলে গিয়েছিলেনঃ “বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ভাষা-আন্দোলনেরই সুদূর প্রসারী ফলশ্রুতি।” ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ আয়োজিত মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০১৭ পালন উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠানে ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দরা তাদের বক্তব্যে এগুলো উল্লেখ করেন।

ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তফা মজুমদার বাচ্চু সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাইম উদ্দিনের সঞ্ছারনায় আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তফা মজুমদার বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, সহ-সভাপতিঃ খোকন মজুমদার, নাসির উদ্দিন সরকার, মোহাম্মদ সহিদ। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকঃ নুরুল ইসলাম টিটু, সফিউল সাফি এবং সাংগঠনিক সম্পাদকঃ সরদার সাইদুর রহমান। আরো বক্তব্য রাখেন ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা রাফায়েত হোসেন মিঠু, রিয়াজুল হাসনাত রুবেল ও ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ নেতা তানভীর আহমেদ রাজু।

আলোচনা অনুষ্ঠানে কোরআন থেকে তেলোয়াত মাধ্যমে শুরু করে সম্মেলিত কণ্ঠে ” আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো ২১শে ফেব্রুরারি ” সঙ্গীত গাওয়া হয় এবং ভাষা শহীদ , জাতির পিতা ‘বঙ্গবন্ধু’ , বঙ্গমাতা, জাতীয় চারনেতা, ১৯৭৫এর ১৫ই আগস্ট শহীদ ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। আলোচনায় বক্তারা জানানঃ ১৯৪৭ সালে সমকালীন রাজনীতিবিদসহ ১৪ জন ভাষাবীর ২১ দফা দাবি নিয়ে একটি ইশতেহার প্রণয়ন করেছিলেন। ওই ইস্তেহারে দ্বিতীয় দাবিটি ছিল রাষ্ট্রভাষা সংক্রান্ত। এই ইশ্‌তেহার প্রণয়নে শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান ছিল অনস্বীকার্য এবং তিনি ছিলেন অন্যতম স্বাক্ষরদাতা। ১৯৫৩ সালে একুশের ‘প্রথম বার্ষিকী’ পালনের দিন সব আন্দোলন, মিছিল এবং নেতৃত্বের পুরোভাগে ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আরমানিটোলা ময়দানে অনুষ্ঠিত জনসভায় তিনি সেদিন একুশে ফেব্রুয়ারিকে “শহীদ দিবস” ঘোষণা এবং অবিলম্বে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেনঃ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ রাসেল, অভিবাসন বিষয়ক সম্পাদকঃ আরিফুল হক আরিফ,কৃষি বিষয়ক সম্পাদকঃ সাজ্জাদ হোসেন,তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদকঃ সম্রাট ,ত্রাণ ও সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদকঃ ইউসুফ আহম্মেদ,সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ কোহিনুর আক্তার মুকুল, ধর্ম-বিষয়ক সম্পাদকঃ কচি মিয়া,প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদকঃ নীরু সুমন,বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদকঃ কামরুল ইসলাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদকঃ রেজাউল হক রেজা,মহিলা বিষয়ক সম্পাদকঃ তানিয়া সুলতানা চাপা,যুব ও ক্রিয়া বিষয়ক সম্পাদকঃ মোহাম্মদ সেলিম,শিক্ষা ও মানব বিষয়ক সম্পাদকঃ নাজিম উদ্দিন খান,শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদকঃ মোতালেব হোসেন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদকঃ গোলাম রাব্বি,সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ লায়লা আক্তার সীমা,স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদকঃ সামছু উদ্দিন,দপ্তর সম্পাদকঃ দেবাসীষ দাস,প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদকঃ নয়ন,কার্যকরী কমিটির সদস্য , মোসাদ্দিকুর রহমান রাসেল, রনি, ওমর,আমির জীবন , ফজলে রাব্বি , সামসুল আলম, সোহেল আহমেদ, সাফায়েত অন্তর, শামীম খান ,তাসবির হোসেন,মাঞ্জুর আহমেদ মামুন, মনসর আহমেদ, মোহাম্মাদ ইউসুফ, মাসুম বিল্লাহ, শাওন রহমান , সাইদুর রহমান, নাজমুল ইসলাম, আরিফুল ইসলাম, হাসান শাহীন, তুহীন, আরিফুল হক আরিফ, আজাদুর রহমান, রাজ্জাক, নাজমুল হোসেন, দোলন, সহ সকল নেতৃবৃন্দ।অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেনঃবাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ডেনমার্ক শাখা, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ ডেনমার্ক শাখা ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ডেনমার্ক শাখার সকল নেতৃবৃন্দ। উপস্থিত নেতৃবৃন্দদের সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here