স্পিন দিয়েই ভারতকে ঘায়েল করবে আফগানিস্তান

0
44

স্পোর্টস ডেস্ক: ক্রিকেটের নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে আফগানিস্তান। এর অভিজাত সংস্করণে নাম লেখাতে যাচ্ছে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি। আগামী ১৪ জুন বেঙ্গালুরুতে ভারতের বিপক্ষে অভিষেক টেস্ট খেলবেন আফগানরা। ঐতিহাসিক সেই টেস্টে টিম ইন্ডিয়াকে স্পিনার দিয়ে ঘায়েল করতে চান তারা।

ভারতের বিপক্ষে সেই একমাত্র টেস্টের জন্য ইতিমধ্যে ১৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি)। সেই দলে রয়েছেন ৪ স্পিনার। উদ্দেশ্য এদের দিয়েই স্বাগতিকদের কাবু করতে চান তারা।

অনুমিতভাবেই আফগানদের স্পিন আক্রমণভাগে নেতৃত্ব দেবেন রিস্টস্পিনার (কব্জির সাহায্যে স্পিন করেন যিনি) রশিদ খান। তার সঙ্গে আছেন আরেক রিস্টস্পিনার চায়নাম্যান বোলার জহির খান। এ ছাড়া দুই ফিঙ্গারস্পিনার (আঙুলের সাহায্যে স্পিন করেন যিনি) মুজিব-উর-রহমান ও আমির হামজাকেও সেই টেস্টে দেখা যেতে পারে।

সদ্য পর্দা নামা আইপিএলে ছিলেন রশিদ, মুজিব ও জহির। বিশ্বের জনপ্রিয় ঘরোয়া লিগটিতে রশিদ ও মুজিব এবার খেললেও আঙুলে চোটের কারণে পারেননি জহির। দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি এ বাঁ হাতি স্পিনার। তাই জহিরের ওপর তো থাকছেই এসিবি ভরসা রাখতে পারে হামজাতেও। খেলাতে পারে তাকেও।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন রশিদ। বিশ্বের যে কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক লিগে এ মুহূর্তে তিনি সবার প্রথম পছন্দ। তবে লংগার ভার্সনে তার খেলার অভিজ্ঞতা খুব একটা নেই। এখন পর্যন্ত মাত্র ৪টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন তিনি। আর মুজিবের তো প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেকই হয়নি।

দলের ১৬ সদস্যের মাত্র ৪ জনের ২০-র অধিক প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা আছে। সবচেয়ে বেশি ব্যাটিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবীর, ৩২টি। অধিনায়ক আসগর স্তানিকজাই খেলেছেন ২৩টি। এ দুজন ছাড়া ব্যাটিংয়ে ভরসা মোহাম্মদ শাহজাদও এ রকমই খেলেছেন।

নিজেদের প্রথম টেস্টে অভিজ্ঞ পেসার দৌলত জার্দানকে পাচ্ছে না আফগানিস্তান। হাঁটুর চোটের কারণে খেলতে পারবেন না তিনি। আর সুযোগই পাননি আরেক নামি পেসার সাপুর জার্দান। পেস বিভাগ সামলাবেন ইয়ামিন আহমদজাই ও সাঈদ আহমেদ সিরজাদ।

আফগান টেস্ট দল : আসগার স্তানিকজাই (অধিনায়ক), মোহাম্মদ শাহজাদ (উইকেটরক্ষক), মোহাম্মদ নবী, রহমত শাহ, মুজিব উর রহমান, রাশিদ খান, জহির খান, আমির হামজা, জাভেদ আহমাদি, ইহসানউল্লাহ, নাসির জামাল, হাসমাতুল্লাহ শাহিদি, আফসার জাজাই, সাঈদ আহমেদ সিরজাদ, ইয়ামিন আহমাদিজাই ও ওয়াফাদার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here