সিটি নির্বাচনে প্রচারণার সুযোগ পাচ্ছেন এমপিরা

0
30

ঢাকা: সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রার্থীদের আচরণ বিধিমালা সংশোধনের খসড়া চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, সংসদ সদস্যরা (এমপি) নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে পারবেন।

বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের আচরণবিধি নিয়ে কমিশনের সভা শেষে এ তথ্য জানান ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

তিনি বলেন, সংসদ সদস্যপদ লাভজনক নয়। সে জন্যই তারা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালাতে পারবেন। এ সংক্রান্ত সংশোধনী নির্বাচন কমিশন অনুমোদন করেছে।

সচিব বলেন, তারা কোনো অফিস হোল্ড করেন না, সরকারি গাড়ি ব্যবহার করেন না, কিনে ব্যবহার করেন। এবং কোনো সরকারি কর্মকর্তাও যুক্ত নেই তাদের সঙ্গে।

সিটি কর্পোরেশন আচরণ বিধিমালায় বিভিন্ন ধরনের ১১টি সংশোধনী আনার প্রস্তাব কমিশন করেছে বলে জানিয়ে হেলালুদ্দীন বলেন, আগামী রোববার তা আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের তফসিল আগেই ঘোষিত হওয়ায় এই সংশোধনী চূড়ান্ত হয়ে ওই নির্বাচনে কার্যকর সম্ভাবনা ‘ক্ষীণ’ বলে মন্তব্য করে ইসি সচিব।

হেলালুদ্দীন বলেন, কোনো নির্দিষ্ট সিটি কর্পোরেশন নয়, সব সংসদ সদস্যের জন্য এটা ওপেন থাকবে। লাভজনক পদ না হওয়ায় তাদের ওপর থেকে এই বিধিনিষেধ তুলে নেয়া হলো।

তবে সিটি নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী সংসদ সদস্য পদ তাদের ইস্তফা দিতে হবে বলে জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে হেলালুদ্দীন জানান, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগও ইসির স্টেকহোল্ডার। তাদের প্রস্তাবনা পর্যালোচনা করেই সংশোধনীর এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

প্রচারণায় অংশ নিতে পারলেও সরকারি সুযোগ-সুবিধা তারা গ্রহণ করতে পারবেন না জানিয়ে ইসি সচিব বলেন, এক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরা ভোটের সময় ডাকবাংলো ব্যবহারের সুযোগ পাবে না।

সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের বর্তমান আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী, সরকারি সুবিধাভোগী অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা তফসিলের পর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রচারে অংশ নিতে পারেন না। তবে ভোট দেয়ার জন্য তারা কেন্দ্রে যেতে পারেন।

অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা হচ্ছেন- প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, মন্ত্রী, চিফ হুইপ, ডেপুটি স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা, সংসদ উপনেতা, বিরোধীদলীয় উপনেতা, প্রতিমন্ত্রী, হুইপ, উপমন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও সিটি কর্পোরেশনের মেয়র।

LEAVE A REPLY