সংখ্যালঘু মা-মেয়েকে জোরপূর্বক ট্রলারে তুলে গণধর্ষণ

0
262

images (2)ঢাকা ডেস্ক, সংখ্যালঘু মা ও মেয়েকে গনধর্ষনর ঘটনায় ৩৫ ঘন্টায়েও আসামি গ্রেফতার হয়নি। তবে জড়িত স্বেচ্ছাসেবকলীগের দুই নেতাকে বহিস্কার করা হয়েছে। বহিস্কৃতরা হলেন, নাজিরপুর ইউনিয়নের রায় তাঁতেরকাঠি গ্রামের ১ নং ওয়ার্ডের সহসভাপতি নুর আলম মল্লিক ও সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুর রহিম । সোমবার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

উল্লেখ, শনিবার রাতে কাছিপাড়া ইউনিয়নের উত্তর কাছিপাড়া গ্রামের এক সংখ্যালঘু মা (৩৮) ও তার কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে (১৭) জোরর্পূবক একটি ট্টলার তুলে ভরিপাশা পয়েন্টে তেতুঁলীয়া নদীর চার ঈসানের কাছে ছয় ব্যক্তি গণধর্ষন করে স্থানীয় যুবলীগ ও স্বেচ্ছসেবক লীগের ছয় নেতাকমী  গণধর্ষণ করে । একপর্যায়ে মা ও মেয়ের চিৎকারে স্থানীয় জেলেরা তাদের উদ্ধার করে পুৃলিশের কাছে তুলে দেয়।

এ ঘটনার নির্যাতিত পরিবারটি পক্ষ থেকে রোববার দুপুরে নির্যাতিত স্বামী পরিতোষ চন্দ্র বর্ধন বাদি হয়ে বাউফল থানার মামলা করেন। পরিতোষ পেশায় একজন দর্জি। থানার মামলা দায়ের পর পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করে।
ঘটনায় শিকার ওই মা গতকাল রবিবার বাউফল থানার ওসি আজম খান ফারুকির উপস্থিতিতে স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, শনিবার সকাল ১০ টা ৩০ মিনিটে বাউফলের কাছিপাড়া ইউপির উত্তর কাছিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মা ও তার কলেজপড়ুয়া মেয়ের নিয়ে ভাড়ায় চালিত মেটর সাইকেলযোগে একই উপজেলার কালাইয়া ইউপির শৌলা নুরজাহান গার্ডেনে ঘুরতে যায়। একপর্যায়ে ছয়জন লোক এসে জোরপুর্বক মা ও মেয়েকে একটি ট্টলারে তুলে । ট্টলারটি তেঁতুলিয়ার মাঝ নদীতে নিয়ে মাকে ট্টলারের মধ্যে এবং মেয়েকে ট্টলারের ওপরে উঠিয়ে পালাক্রমে ধষর্ণ করে। তখন সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত নেমে আসে।

উত্তর তেঁতুলিয়া নদীতে রাত প্রায়  ১১ টায় পযর্ন্ত ট্টলার চালানো হয় এবং দফায় দফায় মা ও মেয়েকে ধষর্ন করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শী মমিনপুর এলাাকার জেলে সুমন মোল্লা জানান , কেশবপুর ইউনিয়নের তেতুলিয়া নদীর চর ঈশান এলাকার মাছ দরলেন তিনি। রাত ১১টায় সময় একটি মেয়ের ডাক-চিৎকার শুনতে পান। তখন ২০ থেকে ২৫ জন জেলে একত্রিত হয়ে ওই ট্টলারের ঘোরাও করলে কয়েক ব্যক্তি নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর তারা ওই ট্টলার থেকে মা ও মেয়ে উদ্ধার করেন। এ সময় জেলেরা নুর আলম নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে । নুর আলম নাজিরপুর ইউনিয়ন ( রামনগর তাতেরকাঠী) এক নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি বলে পুলিশের সামনে স্থায়ী সাংবাদিকদের কাছে পরিচয় দেন।

নুর আলম বলেন, ‘আমি ধর্ষণ করিনি। অন্যরা এর সাথে জড়িত। আমাকে ট্ট্যলারের মেশিন সারানোর জন্য নেয়া হয়েছিল। সোহেল, রহিম মীর , হারুন মৃধা এরা ঘটনার সাথে জড়িত।’ অন্যদের রাজনৈতিক পরিচয় আছে কি না এমন প্রশ্নর নুর আলম বলেন, ‘সবাই যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা কর্মী।’