শুরু হচ্ছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসব

0
239

bbbbdddবিনোদন ডেস্ক: ‘১৪তম আন্তর্জাতিক স্বল্পদৈর্ঘ্য ও মুক্ত চলচ্চিত্র উৎসব, ঢাকা–২০১৬’ উৎসর্গ করা হয়েছে উপমহাদেশের প্রথম চলচ্চিত্রকার হীরলাল সেন ও সদ্য প্রয়াত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হককে। বিভিন্ন দেশের সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে এই আয়োজনে। আজ শনিবার বিকেল চারটায় জাতীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়েছে এ উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের। এছাড়া তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু উপস্থিত থাকবেন বলে জানান আয়োজকেরা। উৎসব চলবে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

এবারের উৎসবের ভেন্যু নির্ধারণ করা হয়েছে জাতীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান মিলনায়তন, জাতীয় জাদুঘরের মূল মিলনায়তন, সুফিয়া কামাল মিলনায়তন, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সংগীত, নৃত্যকলা ও আবৃত্তি মিলনায়তন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মিলনায়তন, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে।

১০৯টি দেশের ৫৫০টি চলচ্চিত্র দেখানো হবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকেরা। এছাড়া থাকছে চলচ্চিত্রবিষয়ক বেশ কয়েকটি সেমিনার। এবারের ১৪তম আসরের উৎসব কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নাট্যব্যক্তিত্ব ও চলচ্চিত্রকার নাসির উদ্দীন ইউসুফ। উৎসবের পরিচালক সৈয়দ ইমরান হোসেন কিরমানী।

নির্বাচিত ছবিগুলো ৪ থেকে ১০ ডিসেম্বর দেখা যাবে জাতীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তন (প্রতিদিন বেলা ১১টা, ৩টা, বিকেল ৫টা ও সন্ধ্যা ৭টা), জাতীয় জাদুঘরের মূল মিলনায়তন (প্রতিদিন বিকেল ৫টা ও সন্ধ্যা ৭টা) এবং সুফিয়া কামাল মিলনায়তন ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সংগীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তন (প্রতিদিন বেলা ৩টা, বিকেল ৫টা ও সন্ধ্যা ৭টা)।

৪ থেকে ৯ ডিসেম্বর ছবি দেখা যাবে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে (প্রতিদিন বেলা ৩টা, বিকাল ৫টা ও সন্ধ্যা ৭টা)। ৫ থেকে ১০ ডিসেম্বর প্রদর্শনী হবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে (প্রতিদিন সকাল ১০টা, দুপুর ১২টা ও বেলা ২টা)।

ঢাকার পাশাপাশি ৩ থেকে ৬ ডিসেম্বর উৎসবের চলচ্চিত্রগুলো প্রদর্শন করা হবে রাজশাহীর লালন মঞ্চ ও বড়কুঠি মঞ্চে। থাকছে ইন্দোনেশিয়ার চলচ্চিত্রকার গ্যারিন নুগ্রহর পাঁচটি ছবি নিয়ে রেট্রোস্পেক্টিভ। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে ৭ ডিসেম্বর তিনি ও ৫ ডিসেম্বর মাস্টার ক্লাস পরিচালনা করবেন ভারতের নীলোৎপল মজুমদার।

উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ‘ট্রুথ, জাস্টিস অ্যান্ড জেনোসাইড’ শীর্ষক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের সহযোগিতায় ৯ ডিসেম্বর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে থাকছে এ আয়োজন। একই দিন জাতীয় সেমিনার হবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সেমিনার রুমে। বিষয় ‘সরকার ও মুক্ত চলচ্চিত্র’। বক্তা ড. জাকির হোসেন রাজু।

১০ ডিসেম্বর বিকেলে জাতীয় জাদুঘরের মূল মিলনায়তনে আয়োজিত উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে চারটি বিভাগে দেওয়া হবে পুরস্কার। এগুলো হলো ইন্টারন্যাশনাল কম্পিটিশন (ফিকশন), ইন্টারন্যাশনাল কম্পিটিশন (ডকুমেন্টারি), নেটপ্যাক (নেটওয়ার্ক ফর এশিয়ান সিনেমা) ও তারেক শাহরিয়ার ইন্ডিপেন্ডেন্ট শর্টস। পুরস্কার হিসেবে থাকছে আর্থিক সম্মাননা, ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট।

১৯৮৬ সালের আগস্ট মাসে ‘বাংলাদেশ শর্ট ফিল্ম ফোরাম’ গঠন করা হয়। এ বছর সংগঠনটি ৩০ বছরে পদার্পণ করেছে। ১৯৮৮ সালে তারা উপমহাদেশে প্রথম আন্তর্জাতিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here