রোহিঙ্গাবিরোধী ঘৃণা প্রচার বন্ধে কঠোর পদক্ষেপে ফেসবুক

0
71

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ব্যবহার করে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে দেশটির উগ্র বৌদ্ধদের বিদ্বেষ প্রচার বন্ধে জোরালো পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ।

মানবাধিকারকর্মীদের অভিযোগ, মিয়ানমারে ঘৃণা প্রচার বন্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি যথেষ্ট পদক্ষেপ নেয়নি। অথচ দেশটিতে যোগাযোগমাধ্যম হিসেবে ফেসবুকের ব্যাপক আধিপত্য রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট বাণিজ্য ও বিচারিক কমিটিতে পাঁচ ঘণ্টার যৌথ শুনানিতে অংশ নিয়ে জাকারবার্গ বলেন, মিয়ানমারে যা কিছু ঘটেছে, তা অবশ্যই ভয়ঙ্কর বিভৎস ট্র্যাজেডি। আমাদের অনেক কিছু করার আছে।

গত বছরের আগস্টে রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর জাতিগত নির্মূল অভিযানের মুখে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

মিয়ানমারে সম্ভাব্য গণহত্যার তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত জাতিসংঘের কর্মকর্তা গত মাসে বলেছেন, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ঘৃণা প্রচারে ফেসবুক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে।

জাতিসংঘের স্বাধীন তথ্য অনুসন্ধানী মিশনের প্রধান মারজুকি দারুসম্যান বলেন, মিয়ানমারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তিনি বলেন, শত্রুতা, মতবিরোধ ও সংঘাতের একটা পর্যায়ে ফেসবুক একটা মৌলিক ভূমিকা রেখেছে। আর বিদ্বেষের প্রচার তার একটা বড় অংশ হিসেবে কাজ করেছে।

তিনি বলেন, মিয়ানমারে পরিস্থিতি সত্যিই উদ্বেগের বিষয়। সেখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক, আর ফেসবুক হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।

জাকারবার্গ বলেন, ফেসবুক বার্মিজ ভাষা জানা বেশ কিছু লোককে ভাড়া করেছে, যারা এই হুমকি ও বিদ্বেষ প্রচার রোধে কাজ করবেন।

স্থানীয় ভাষায় কথা বলা লোকজন ছাড়া এ বিষয়টির সুরাহা করা খুবই কঠিন কাজ। নাটকীয়ভাবে আমরা আমাদের চেষ্টা ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে দিয়েছি। আমরা দেশটির সুশীল সমাজের কাছেও এ বিষয়ে সাহায্য চেয়েছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!