রোহিঙ্গাদের জন্য ৩ হাজার একর ভূমি বরাদ্দ

0
59

ঢাকা: নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে অক্টোবর মাসের মধ্যে রোহিঙ্গাদের উখিয়ার কতুপালং শরণার্থী শিবিরে নেয়ার পাশাপাশি নতুন করে বসতি স্থাপনের জন্য আরও দু’হাজার একর জায়গা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার।

এর মধ্যে উখিয়ার কতুপালং এবং বালুখালী এলাকায় এক হাজার একর জায়গার ওপর বসতি এবং বাকি জায়গায় রোহিঙ্গাদের জন্য স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা করা হবে।

সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ কোনোভাবেই বন্ধ হচ্ছে না। উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ অব্যাহত রেখেছে। কিছু রোহিঙ্গা উখিয়ার আশ্রয় শিবিরে চলে গেলেও বাকিরা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন স্থানে। এর ফলে দেখা দিয়েছে নিরাপত্তা ঝুঁকি।

কক্সবাজারের পুলিশ ড. একেএম ইকবাল হোসেন বলেন, তারা বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকলে বিভিন্ন ধরনের অপরাধে জড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এজন্য তারা একটা এলাকায় যেন থাকতে পারে- সেজন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে বিভিন্ন পাহাড় এবং রাস্তার পাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা এক লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে চলতি মাসেই নির্ধারিত স্থানে সরিয়ে নিতে চায় উপজেলা প্রশাসন। এরই অংশ হিসেবে রাস্তার পাশে ও অনির্ধারিত পাহাড়ে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের সরিয়ে নিচ্ছে সেনাবাহিনী।

উখিয়া উপজেলার নবাগত নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান বলেন, তাদের আমাদের প্রস্তাবিত জায়গায় আনলে মানবিক চাহিদার বিষয়গুলো পূরণ করা সম্ভব হবে। আইনশৃংখলা রক্ষা করা আমাদের পক্ষে সহজ হবে।

বন বিভাগের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, এখন পর্যন্ত কক্সবাজার জেলার টেকনাফ ও উখিয়ার অন্তত আড়াই হাজার একর বনভূমি রোহিঙ্গাদের দখলে চলে গেছে। যেখানে পাহাড় কেটে বসতি নির্মাণ করেছে ৫ লাখের বেশি রোহিঙ্গা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here