যে ৬টি খাবার আপনাকে তরতাজা রাখবে!

0
129

Iur5Sy_vvসকালবেলা ঘুম থেকে ওঠার পরে সবার আগে কী খান আপনি? চা কিংবা কফি, অথবা সিগারেট। কিন্তু তার পরে সারাদিন ক্লান্তি বোধ করেন, ঘুম পায় অসময়ে, কলেজের ক্লাসে বা অফিসের মিটিং-এ মন বসে না। এ থেকে মুক্তির উপায় কী?

আমেরিকার ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশন-এর একটি গবেষণাপত্র জানাচ্ছে, সকালে কী খাচ্ছেন, তার উপর অনেকখানি নির্ভর করে সারা দিনটা আপনার কেমন যাবে। সকালে কোন ধরনের খাবার খাওয়া উচিৎ, সেই পরামর্শও দিচ্ছে সেই গবেষণাপত্র।

নিচে দেওয়া ৬টি খাবারের বিষয়ে জেনেনিন যেগুলি খেলে সারাদিন থাকতে পারবেন তরতাজা। পারলে আপনার ব্রেকফাস্টে এই ৫টি খাবারই রাখুন, কিংবা পছন্দমতো বেছে নিন এর কয়েকটি।

১। পানিঃ
সকালে প্রতিদিন খালি পেটে পানি খেলে রক্তের দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায় এবং ত্বক সুন্দর ও উজ্জ্বল হয়। রাতে ঘুমানোর ফলে দীর্ঘ সময় ধরে হজম প্রক্রিয়ার তেমন কোনো কাজ থাকে না। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠে হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করার জন্য অন্তত এক গ্লাস পানি খেয়ে নেয়া উচিত। সকালে নাস্তার আগে এক গ্লাস পানি খেলে নতুন মাংসপেশি ও কোষ গঠনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়।

২। ডিমঃ 
ডিমের উপকারিতা কি নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে? ওমেগা-থ্রি ফ্যাট ও প্রোটিনে পরিপূর্ণ ডিম আপনাকে সারাদিনের উপযোগী এনার্জি সরবরাহ করে। কাজেই ব্রেকফাস্টে অবশ্যই ডিম খান একটি— সিদ্ধ, ওমলেট, পোচ যেভাবে পছন্দ।

৩। আপেলঃ 
প্রবাদ রয়েছে, রোজ একটি করে আপেল খেলে নাকি আর ডাক্তারের চৌকাঠ মাড়াতে হয় না। কথাটা নেহাৎ ভুল নয়। প্রতিটি আপেলে মোটামুটি ১৩ গ্রাম করে প্রাকৃতিক শর্করা থাকে। এই শর্করা যে কোনও কাজে মনোযোগ দিতে সাহায্য করে। ডাক্তাররা বলছেন, সকালে ঘুম থেকে উঠেই যদি কোনও কাজে মনোযোগ দিতে হয় তাহলে ঘুম থেকে ওঠার পরেই একটা আপেল খাওয়া উচিৎ।

৪। মধুঃ 
মধুর অঢেল উপকারিতার কথা ইতিমধ্যেই জেনে ফেলেছেন আপনারা। মধুও আপেলের মতোই প্রাকৃতিক শর্করার ভাণ্ডার। কাজেই সকালেই যদি কয়েক চামচ মধু খেয়ে নিতে পারেন, সারাদিনই কর্মচঞ্চল থাকতে পারবেন।

৫। কলাঃ 
কাজের চাপ, মানসিক চাপে অনেক সময়ই সকালে ঘুম থেকে উঠে অসুস্থ বোধ করি আমরা। রক্তে শর্করার মাত্রা কম থাকায় কম থাকে এনার্জির মাত্রাও। এই সময় কলা বজায় রাখতে রক্তে শর্করার সঠিক মাত্রা।

৬। নারিকেলঃ
নারিকেল অতিরিক্ত ওজন কমাকে সহায়তা করে। নারিকেল খুব অল্প ক্যালোরিতেই মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে অল্পক্ষণের মধ্যেই শরীরে শক্তি যোগায়। নারিকেল খেলে সহসা ক্ষুধাও লাগে না। তাই গবেষনায় দেখা গেছে যে যারা নিয়মিত নারিকেল খাওয়া শুরু করে তাদের বেশ খানিকটা ওজন হ্রাস পায়।
সূত্রঃ হাফিংটন পোস্ট।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter y