‘যোগাযোগব্যবস্থাকে উন্নত করতে কাজ করছে সরকার’

0
140

sheikh-hasina_650x400_41423657263ঢাকা: যোগাযোগব্যবস্থাকে উন্নত করতে কাজ করছে সরকার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে আছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। বাংলাদেশকে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সেতুবন্ধ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, সড়ক, নৌ ও আকাশপথের যোগাযোগব্যবস্থাকে উন্নত করতে সরকার কাজ করছে।’

রোববার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মেট্রোরেল প্রকল্প ও বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ঢাকায় বহু মানুষের বাস। কিন্তু সেই তুলনায় সড়কের অভাব আছে। আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থার মাধ্যমে অনেক মানুষের যাতায়াত সহজ করার জন্য কাজ করতে হবে। তাঁর সরকার নগরবাসীর যাতায়াত সহজ করতে বিভিন্ন প্রকল্প নিয়েছে এবং নিচ্ছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-ময়মনসিংহ চার লেন প্রকল্পের উদ্বোধন বিষয়ে ‘ঈদের আগেই সুখবর’ পাওয়া যাবে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কও চার লেন করা হবে।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, এ প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়কাল বাড়ানোর ফলে ২০ দশমিক ১ কিলোমিটার মেট্রোরেল ২০১৯ সালে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চলাচল শুরু করবে।

প্রকল্পে অর্থায়নকারী জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) এ বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গত মাসে উত্তরা তৃতীয় পর্যায় প্রকল্পের দিয়াবাড়ি বাজার এলাকা মেট্রোরেল ডিপো উন্নয়নকাজ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন।

প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এমআরটি-৬ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ প্রকল্পে জাইকা ১৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা এবং বাংলাদেশ সরকার অবশিষ্ট অর্থ প্রদান করছে। দ্রুতগতির মেট্রোরেল উত্তরা থেকে মিরপুর ও ফার্মগেট হয়ে মতিঝিল পর্যন্ত যাতায়াত করবে। প্রতি চার মিনিটে প্রতিটি স্টেশনে থেমে প্রতি ঘণ্টায় এটি ৬০ হাজার যাত্রী পরিবহন করতে পারবে।

এই ২০ দশমিক ১ কিলোমিটার এমআরটি লাইন-৬ উত্তরা তৃতীয় পর্যায় থেকে পল্লবী, রোকেয়া সরণির পশ্চিম পাশ ও ফার্মগেট, হোটেল সোনারগাঁও, রূপসী বাংলা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি, দোয়েল চত্বর, তোপখানা রোড ও বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত চলাচল করবে।

এই যাত্রা পথে ১৬টি স্টেশন থাকবে—উত্তরা নর্থ, সেন্ট্রাল ও সাউথ, পল্লবী, মিরপুর-১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, তালতলা, আগারগাঁও, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, সোনারগাঁও, জাতীয় জাদুঘর, দোয়েল চত্বর, বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম ও বাংলাদেশ ব্যাংক।

বিআরটি প্রকল্প গাজীপুর থেকে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। গাজীপুর থেকে ঢাকার যোগাযোগব্যবস্থা সহজ করতে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই কাজ করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের আওতায় কয়েকটি উড়ালসড়ক এবং বাসের জন্য আলাদা রুট করা হবে। ফলে গাজীপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত যাত্রীরা দ্রুত যাতায়াত করতে পারবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here