যুক্তরাষ্ট্রের সর্বনাশা সিদ্ধান্তের ফসল আইএস: বৃটিশ মন্ত্রী

0
225

ghআন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরাক দখলের পর যুক্তরাষ্ট্র দেশটির সেনাবাহিনী থেকে সাদ্দাম হোসেনের বাথ পার্টির সমর্থকদের গণহারে বাদ দিয়ে সর্বনাশা ভুল করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিলিপ হ্যামন্ড। চাকরি হারানো ওই সব সেনা সদস্যরাই পরে জঙ্গি গোষ্ঠীতে যোগ দিয়ে এক পর্যায়ে ইসলামিক স্টেট (আইএস) গঠন করে বলে দাবি করেছেন তিনি।

হ্যামন্ডকে উদ্ধৃত করে বৃহস্পতিবার গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিক পল ব্রেমার ইরাক পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন। তিনি দেশটির সেনাবাহিনীকে ভেঙে ফেলেন, যার ফলে প্রায় চার লাখ সেনা সদস্য চাকরি হারিয়ে রাস্তায় নেমে আসে। “ব্রেমারের ওই সিদ্ধান্ত পরবর্তীতে সর্বনাশা ভুল বলে প্রমাণিত হয়,” বলেন তিনি। হাউজ অব কমন্সের ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটিতে হ্যামন্ড তার বক্তব্যের পক্ষে তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, “আজকে ইরাকে আমরা যেসব সমস্যা দেখছি তার অনেকগুলোর মূলেই রয়েছে তৎকালীন ইরাকি সেনাবাহিনী ভেঙে (সেনাবাহিনী থেকে সাদ্দমের বাথপার্টির অনুগতদের বের করে দেওয়া) ফেলার সর্বনাশা ওই সিদ্ধান্ত। “ইরাক যুদ্ধ পরবর্তী পরিকল্পনায় ওটা ছিল বড় ভুল। যদি ওই সময় আমরা অন্যভাবে পরিকল্পনা সাজাতাম তবে আজ হয়তো আমরা অন্যরকম ফল দেখতে পেতাম।”

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, ইরাকে পেশাদার সেনা সদস্যদের আল-কায়েদার মতো জঙ্গি সংগঠন ও পরে আইএসে গণহারে ভেড়া এসব সংগঠনের সক্ষমতা বাড়িয়ে বর্তমানের ঝুঁকি তৈরি করেছে। “এটা স্পষ্ট যে, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সাবেক ‘বাথিস্ট’ সেনা কর্মকর্তা সিরিয়া ও ইরাকে দায়েশের (আইএস) পেশাদার কোর গঠন করেছে। তারাই জঙ্গি সংগঠনটিকে সেনাবাহিনীর কায়দায় অভিযান পরিচালনা করতে সক্ষম করে তুলেছে।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here