মুক্তিযোদ্ধা শিরিন বানু মিতিল স্মারণে সভা অনুষ্ঠিত

0
292

muktijodha IMG_089119বাংলা প্রেস, নিউ ইয়র্ক: মরহুমা মুক্তিযোদ্ধা শিরিন বানু মিতিল স্মরণে এক সভা গত সোমবার সন্ধায় জ্যাকসন হাইটসের বাংলাদেশ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা বলেন, একাত্তরে পুরুষের বেশে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া কিংবদন্তি শিরিন বানু মিতিলকে তাঁর জীবদ্দশায় সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। স্বাধীনতার পর নারীমুক্তির আন্দোলনসহ প্রগতিশীল আন্দোলনে নিবেদিত ছিলেন তিনি। উন্নয়ন সংগঠক ও বহুমাত্রিক এই নারী শিরিন বানু মিতিলকে স্বাধীনতা পুরুস্কারসহ তাঁর নামে পাবনা এডওয়ার্ড কলেজের একটি ছাত্রীনিবাসের নামকরণ করার দাবি জানান হয়। নিউ ইয়র্কস্থ পাবনা এডওয়ার্ড কলেজের সাবেক শিক্ষার্থীদের আয়োজনে বীর মুক্তিযোদ্ধা শিরিন বানু মিতিলের স্মরণসভা পাশাপাশি পাবনা জেলা মুক্তিযুদ্ধের কথা বইয়ের পরিচিতি পর্বও অনুষ্ঠিত হয়।

সাপ্তাহিক ঠিকানা পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মুহাম্মদ ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাংস্কৃতিক কর্মি গোপাল সান্যালের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা বলেন, শিরিন বানু মিতিল একটি সাহসের নাম। যিনি প্রথা ও প্রতিরোধ ভেঙে আমাদের মুক্তিযুদ্ধে দুঃসাহসী ভূমিকা রেখে এক অনন্যদৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছিলেন। তিনিই সেই অকুতোভয় একমাত্র নারী, যিনি মাত্র ২০ বছর বয়সে পুরুষের পোশাক পরে অস্ত্র হাতে রনাঙ্গনে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন। সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন পাবনা জেলার মুক্তিযুদ্দের কথা গ্রন্থের লেকক ও পাবনা পৌরসবার সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জহুরুল ইসলাম বিশু। এছাড়াও অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্বীকৃতি বড়–য়া, ফাহিম রেজা নুর, মুক্তিযোদ্ধা মুকিত চৌধুরী, আহমেদ হোসেন মিথুন আহমেদ, খোরশেদ আলম, অধ্যাপিকা হোসনে আরা, ওবায়দুল্লাহ মামুন, সুব্রত বিশ্বাস ও শিবলি সাদিক প্রমুখ। উল্লেখ্য, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর মিতিল ১৯৭৩ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নে পড়াশুনা করতে যান এবং ১৯৮০ সালে দেশে ফেরেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

LEAVE A REPLY