মহাকাশে বাংলাদেশ

0
33

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের পর দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী- জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে আরেক ধাপ এগিয়ে গেলাম। আমরা এখন স্যাটেলাইট ক্লাবের গর্বিত সদস্য

বাংলাদেশ মহাকাশ জয় করেছে। শুক্রবার রাত ২টা ১৪ মিনিটে দেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ বহনকারী রকেট ফ্যালকন-৯ সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে।

উৎক্ষেপণের ৮ মিনিটের মধ্যে স্যাটেলাইটটি মহাকাশে পৌঁছে যায়। ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ মহাকাশে পৌঁছে দিয়ে মাত্র ৩ মিনিট পরই রকেট ফ্যালকন-৯ ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে। ৩৩ মিনিটে ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ নিজস্ব কক্ষপথে পৌঁছে যায়। এরপর থেকে স্যাটেলাইটটি নিজ থেকেই কাজ শুরু করবে। উৎক্ষেপণের পরপর স্পেসএক্সের

ওয়েবসাইট ও উৎক্ষেপণস্থলে রাখা বড় পর্দায় বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশের সাফল্য নিয়ে সেখানে প্রামাণ্য চিত্র দেখানো হয়। এর মাধ্যমে পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেটের সফল উৎক্ষেপণ করল স্পেসএক্স।

‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’-এর সফল উৎক্ষেপণ উপলক্ষে জনগণকে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। উৎক্ষেপণের পরপরই জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এর মাধ্যমে আমরা স্যাটেলাইট ক্লাবের গর্বিত সদস্য হলাম। প্রবেশ করলাম এক নতুন যুগে।

তিনি বলেন, জাতির জনকের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আরেক ধাপ এগিয়ে গেলাম ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে। কক্ষপথ বাংলাদেশকে ভাড়া দেয়ায় তিনি রাশিয়াকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’-এর শুভ উৎক্ষেপণ ঘোষণা করেন। এদিকে, উৎক্ষেপণের পর কেনেডি স্পেস সেন্টারে সজীব ওয়াজেদ জয় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন।

এ সময় তিনি বলেন, তরুণদের জন্য এটি একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। টেলিভিশনে রকেটের উৎক্ষেপণের সরাসরি সম্প্রচার দেখে উৎফুল্ল হয়ে ওঠেন বাংলাদেশের মানুষসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী বাঙালিরা। অনেকে বিজয় উল্লাসে ফেটে পড়েন।

কারিগরি জটিলতায় প্রথম চেষ্টা আটকে যাওয়ার পর দ্বিতীয় দিনে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে রকেটটি উৎক্ষেপণ করায় ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’-এর মহাকাশ যাত্রা শুরু হয়েছে। দুটি পর্যায়ে এ উৎক্ষেপণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

প্রথম পর্যায়টি সম্পন্ন হতে সময় লাগবে ১০ দিন এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে লাগবে ২০ দিনের মতো। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইটের মালিক দেশগুলোর অভিজাত ক্লাবে যুক্ত হবে বাংলাদেশ। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এ স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ সেবার সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে। দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবেলা ও ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে স্যাটেলাইটটি বহনকারী রকেট ‘ফ্যালকন-৯’ উৎক্ষেপণের জন্য পুরোদস্তুর প্রস্তুত ছিল। এটির ইঞ্জিনও চালু করা হয়েছিল। সর্বশেষ উৎক্ষেপণের ক্ষণগণনা (কাউন্টডাউন) শুরু হয়। কিন্তু শেষ মিনিটে এসে থমকে যায় সেকেন্ডের কাঁটা।

রকেটের যাত্রা (স্টার্টআপ মোড) শুরু হওয়ার মাত্র ৪২ সেকেন্ড আগে তা বন্ধ হয়ে যায়। লঞ্চিং গ্রাউন্ডে কারিগরি ত্রুটি ধরা পড়লে উৎক্ষেপণ স্থগিত হয়ে যায়। এ সময় জানানো হয়, এখন আর উড়ছে না বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১।

বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাত ২টা ১৪ মিনিটে স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণের নতুন সময় নির্ধারণ করা হয়।

উৎক্ষেপণের দায়িত্বে থাকা মার্কিন বেসরকারি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্স ‘বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট’-এর উৎক্ষেপণের জন্য প্রথমবার সম্ভাব্য সময় ঠিক করেছিল বৃহস্পতিবার রাত ২টা ১২ মিনিট থেকে ৪টা ২২ মিনিট। পরে রাত ৩টা ৪৭ মিনিটে চূড়ান্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু ওই দিন সবকিছু ঠিকঠাক থাকার পরও শেষ মুহূর্তে এসে যাত্রা আটকে যায়।

স্যাটেলাইট বহনকারী রকেট ফ্যালকনের ইঞ্জিনগুলো সব সচল হলেও এবং চারদিক দিয়ে ধোঁয়া বের হতে শুরু করলেও শেষ মিনিটে এসে এর পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়। ফলে ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ এর মহাকাশ মিশন আটকে যায়। এ ঘটনার পর রাত ৪টা ১০ মিনিটে স্পেসএক্স কর্তৃপক্ষ উৎক্ষেপণ ১ দিনের জন্য স্থগিত করেন।

বৃহস্পতিবার স্পেসএক্স এক টুইট বার্তায় জানায়, শেষ মিনিটে কিছু কারিগরি সমস্যার কারণে উৎক্ষেপণ স্থগিত রাখা হয়েছে। রকেট ও স্যাটেলাইট ভালো অবস্থায় আছে। শুক্রবার নির্ধারিত সময়ে উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি ফের শুরু হবে।

সাধারণত স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠানোর ক্ষেত্রে সব সময়ই একটি অতিরিক্ত দিন হাতে রাখা হয়। কারণ প্রথম দিন কোনো সমস্যা হলে যাতে দ্বিতীয় দিনটি কাজে লাগানো যায়।

আগে থেকেই স্পেসএক্স জানিয়ে রেখেছিল, দ্বিতীয় দিনটি শুক্রবার (ব্যাকআপ ডে)। এদিকে স্পেসএক্সের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, শুক্রবার না হলে শনিবার আবার উৎক্ষেপণের চেষ্টা করা হবে।

শনিবার স্থানীয় সময় বিকাল ৪টা ১৫ মিনিট আর বাংলাদেশ সময় রাত ২টা ১৫ মিনিটে উৎক্ষেপণের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

শুক্রবার ছাত্রলীগের জাতীয় কাউন্সিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শুক্রবার না হলে আরেকটা সময় স্পেসএক্স দেবে। তিনি বলেন, রকেট উৎক্ষেপণ হবে, ইনশাআল্লাহ।

এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। উৎক্ষেপণ দেখতে বৃহস্পতিবার কেনেডি স্পেস সেন্টারে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার তথ্য প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

ফেসবুক পোস্টে জয় লিখেছেন, রকেট উৎক্ষেপণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ঝুঁকি নেয়া হয় না। এ ধরনের বিলম্ব খুবই স্বাভাবিক। উৎক্ষেপণের শেষ মিনিট

পুরোপুরি নিয়ন্ত্রিত হয় কম্পিউটারের মাধ্যমে। কম্পিউটারের হিসাবে কোনো কিছু স্বাভাবিকের বাইরে ধরা পড়লে তা উৎক্ষেপণ কার্যক্রম স্থগিত করে দেয়। এজন্য তিনি উদ্বিগ্ন না হওয়ার জন্য দেশবাসীকে প্রতি আহ্বান জানান।

যুক্তরাষ্ট্রের অরল্যান্ডের স্থানীয় একটি হোটেলে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ বলেছেন, স্যাটেলাইট বহনকারী রকেটের উৎক্ষেপণে মানুষের কোনো হাত থাকে না। কম্পিউটার স্বয়ংক্রিয়ভাবে সবকিছু পরীক্ষা করে কোনো সমস্যা পেলে তা স্থগিত করে দেয়।

‘বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট’-এর উৎক্ষেপণেও কম্পিউটার স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাই করেছে। তিনি আরও বলেন, ভালো খবর হল- এখানে দায়িত্বরত ব্যক্তি বলেছেন, স্যাটেলাইট ও রকেট ঠিক আছে, সেখানে কোনো সমস্যা নেই। গ্রাউন্ড সিস্টেমে হয়তো সামান্য ত্রুটি দেখা দিতে পারে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ড. মাহমুদ আরও বলেন, এটা নতুন কোনো ঘটনা নয়।

এর আগে ছয়বারের মাথায় রকেট উৎক্ষেপণের ঘটনা ঘটেছে। স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য শুক্রবার রাত তারিখ নির্ধারণ করেছে স্পেসএক্স। আশা করি এবার সফলভাবে উৎক্ষেপণ হবে।

কেনেডি স্পেস সেন্টারের দুটি স্থান থেকে দর্শনার্থীদের জন্য স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ সরাসরি দেখার ব্যবস্থা ছিল। এর একটি স্থান অ্যাপোলো বা স্যাটার্ন-৫ সেন্টার, উৎক্ষেপণস্থল থেকে যার দূরত্ব ৬ দশমিক ২৭ কিলোমিটার। এছাড়া কেনেডি স্পেস সেন্টারের মূল দর্শনার্থী ভবন (মেইন ভিজিটর কমপ্লেক্স) থেকেও স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ দেখার ব্যবস্থা ছিল।

উৎক্ষেপণস্থল থেকে এটির দূরত্ব ১২ কিলোমিটার। উৎক্ষেপণ উপলক্ষে শুক্রবারও কেনেডি স্পেস সেন্টারে ছিল বাংলাদেশের ৩০ সদস্যের প্রতিনিধি দল।

আগ্রহ নিয়েই অপেক্ষায় ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশিরাও। উৎক্ষেপণ উপলক্ষে আগের দিন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজন করে নানা অনুষ্ঠান।

ফ্রান্সের মহাকাশ সংস্থা থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের মূল অবকাঠামো তৈরি করেছে। এটি উৎক্ষেপণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ৩০ মার্চ পাঠানো

হয়। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্সের রকেটে স্যাটেলাইটটি মহাকাশে পাঠানোর জন্য সেখানে পাঠানো হয়। স্যাটেলাইটটি তৈরি এবং উৎক্ষেপণের কাজটি বিদেশে হলেও এটি নিয়ন্ত্রণ থাকবে বাংলাদেশের হাতে।

এজন্য গাজীপুরের জয়দেবপুরে তৈরি গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন (ভূমি থেকে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা) স্যাটেলাইট নিয়ন্ত্রণের মূল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে। আর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হবে রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়া গ্রাউন্ড স্টেশন।

স্পেসএক্সের যে মহাকাশযানে (রকেট) করে স্যাটেলাইটটি কক্ষপথে যাবে। দুটি পর্যায়ে এ উৎক্ষেপণপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। প্রথম পর্যায়টি সম্পন্ন হতে সময় লাগবে ১০ দিন এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে লাগবে ২০ দিনের মতো। এটির অবস্থান হবে ১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।

এই কক্ষপথ থেকে বাংলাদেশ ছাড়াও সার্কভুক্ত সব দেশ, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মিয়ানমার, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, তুর্কমিনিস্তান ও কাজাখস্তানের কিছু অংশ এই স্যাটেলাইটের আওতায় আসবে।

স্যাটেলাইটভিত্তিক টেলিভিশন সেবা ডিটিএইচ (ডিরেক্ট টু হোম) ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজেও এ স্যাটেলাইটকে কাজে লাগানো যাবে। দেশের প্রথম এ স্যাটেলাইট তৈরিতে খরচ ধরা হয় ২ হাজার ৯৬৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা বাংলাদেশ সরকার ও বাকি ১ হাজার ৬৫২ কোটি টাকা ঋণ হিসেবে নেয়া হয়েছে।

এ ঋণ দিয়েছে বহুজাতিক ব্যাংক এইচএসবিসি। তবে শেষ পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়নে খরচ হয়েছে ২ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা।

টিএসসিতে উৎসব : বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট সফলভাবে উৎক্ষেপণের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে উল্লাসে ফেটে পড়েন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হল থেকে টিএসসিতে শিক্ষার্থীরা জড়ো হন। সেখানে বড় পর্দায় উৎক্ষেপণ দৃশ্য উপভোগ করেন তারা। এ সময় সেখানে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়।

শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা জানান, বাংলাদেশ নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের অবস্থান নতুনভাবে সৃষ্টি হল। এ ঐতিহাসিক অর্জনের সাক্ষী হতে পেরে আমরা গর্বিত।

ঢাকা বিশবিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান তাৎক্ষণিক মিডিয়ায় কথা বলেন। তিনি প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ৫৭তম রাষ্ট্র হিসেবে মহাকাশে স্থান করে নিল

বাংলাদেশ। এ মাহেন্দ্রক্ষণের জন্য পুরো জাতি অপেক্ষায় ছিল। মহাকাশে বাংলাদেশ নিজেদের অবস্থান করে নেয়ার মাধ্যমে বাঙালি জাতি বিশ্বের বুকে শক্ত অবস্থান করে নিল।

এটা জাতির উত্থানের বড় পরিমাপক। স্বাধীনতার পরে এটা বাংলাদেশের মহাবিজায়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থান যে শক্তিশালী হয়েছে তা প্রমাণিত হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. এএসএম মাকসুদ কামাল বলেন, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট একটি মাইলফলক। এর মাধ্যমে আমরা যেমন মহাকাশে এগিয়ে গেলাম, তেমনি মহাকাশের তথ্য-উপাত্ত পেতে বিশ্বের বুকে নিজেদের অবস্থান জানান দিলাম।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here