ভারত সীমান্তে সুরঙ্গের সন্ধান

0
91

tunnelআন্তর্জাতিক ডেস্ক:ফের পাকিস্তানের দিক থেকে খোঁড়া একটি টানেল খুঁজে পেল বিএসএফ। মঙ্গলবার সকালেই এনকাউন্টারে কাশ্মীরে শহিদ হয়েছেন তিন জওয়ান। আর তার আগে সোমবার সন্ধেয় এই টানেল খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। সাম্বা সেক্টরে তল্লাশি চালানোর সময় এই টানেল পাওয়া যায়।

এমনটাই জানিয়েছেন, বিএসএফ অফিসার ধর্মেন্দ্র পাঠক। জানা গিয়েছে ওই টানেল চওড়ায় ২.৫ ফুট ও গভীরতাও প্রায় ওরকমই। টানেলটি এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। অর্থাৎ আগেভাগেই ধরে ফেলা গিয়েছে সেই টানেল। সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ার ঠিক নিচ দিয়েই তৈরি হয়েছিল এটি। সোমবার সীমান্তের কাছে বিএসএফের মহড়া চলাকালীন এই টানেল খুঁজে পাওয়া যায়। এই টানেলের মধ্যে দিয়ে ভারতের পাক জঙ্গিরা হামলা চালানোর ছক কষছিল বলেই মনে করা হচ্ছে।

এই বিষয়ে পাক রেঞ্জার্সদের সঙ্গে কথাও বলবে বিএসএফ।গত বছরের ৩০ নভেম্বর সাম্বা সেক্টরে জঙ্গি হামলার পরই এক বড়সড় সুড়ঙ্গের সন্ধান পায় বিএসএফ। সেখান দিয়েই ঢুকেছিল জঙ্গিরা। এর আগে ২০১২-র জুলাই মাসে একটি সুড়ঙ্গ পাওয়া গিয়েছিল, যা ছিল ৩৪০ মিটার লম্বা আর ২০ ফুট গভীর। সাম্বা সেক্টরে পাঠানকোট এয়ারবেসেই অদূরেই মিলেছিল সুড়ঙ্গটি।

২০০১ থেক ২০১৬ পর্যন্ত মোট আটটি এমন টানেল পাওয়া গিয়েছে, যা ভারত ও পাকিস্তানকে যুক্ত করেছে। সাধারণভাবে ড্রাগ পাচাররে জন্যই এগুলি ব্যবহার করা হয়। তবে অনেক ক্ষেত্রেই এই সুড়ঙ্গ দিয়ে ঢোকে জঙ্গিরা। তাই এবার ঠেকাতে দুটি বিশেষ প্রযুক্তির উপর জোর দিচ্ছে ভারত। টানেল ডিটেকশন ও গানশট ডিটেকশন সিস্টেম। তার জন্য আইআইটির বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। বম্বে আইআইটি-র National Centre for Excellence in Technology for Internal Security (NCETIS) এক বিশেষ গ্রাউন্ড পেনিট্রেটিং রাডার (GPR) তৈরি করেছে, যা শুধুমাত্র সুড়ঙ্গের সন্ধান পাবে তাই নয় মাটির তলায় রাখা কোনও ল্যান্ডমাইনও খুঁজে বের করতে পারবে সহজেই। বর্তমানে সেই রাডারের পরীক্ষা করা হচ্ছে। সেই পরীক্ষায় উতরে গেলে ফিল্ড ট্রায়াল শুরু হবে ফেব্রুয়ারিতেই। এমনটাই জানিয়েছেন, প্রজেক্ট ম্যানেজার সীমাপেরিওয়াল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here