বয়সের সঙ্গে যৌনাঙ্গের এই পাঁচ পরিবর্তন অনিবার্য

0
146

001153age_kalerkantho_picবয়স লুকাতে পাকা চুল কালো করতেই পারেন। কিন্তু, আপনার বার্ধক্যকে কি এভাবে ঠেকিয়ে রাখতে পারবেন? কী করে ঠেকাবেন আপনার পুরুষাঙ্গের জ্যামিতিক পরিবর্তন! বয়সের সঙ্গে যৌনাঙ্গের এই পাঁচটি পরিবর্তন অনিবার্য।

১. টেস্টোস্টেরনের মাত্রা ক্রমশ কমবে
পুরুষের বয়স বাড়ার সঙ্গেই টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমতে থাকে। ফলে যৌবনকালের মতো সহজে পুরুষাঙ্গ দৃঢ় হয় না। জাগাতে অনেক সাধ্যসাধনা করতে হয়। দেখা দেয় ইরেকটাইল ডিসফাংশানের মতো যৌন সমস্যা। সাধারণত ৪০-এর পর থেকেই যৌনশক্তি কমতে থাকে। ৭০ বছর পর্যন্ত নানাবিধ পরিবর্তন হতে থাকে। তবে স্ট্রেস থেকে ৪০-এর আগেও অনেকে ইরেকটাইল ডিসফাংশানে ভোগেন।

২. পেনিসের রং বদলায়
বয়স বাড়ার সঙ্গেই আমাদের ধমনী শক্ত হতে থাকে। মেডিক্যালের পরিভাষায় যাকে বলা হয়, অথেরোস্কলেরোসিস। যার দরুন পুরুষাঙ্গে পরিস্রুত রক্তের প্রবাহ কম হতে থাকে। ফলে পেনিসের রং গাঢ় থেকে ক্রমে হালকা হয়। একই সঙ্গে পেনিসের গঠনও বদলাতে থাকে। লিঙ্গের মাথার স্বাভাবিক রং-ও বদলায়। মাথায় চুল কমে আসার মতোই যৌনকেশও পাতলা হতে থাকে।

৩. শরীরের ওজন বাড়ার সঙ্গেই পেনিস ছোট হবে
২০০০-এর মার্চে নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিসিনে প্রকাশিত এক সমীক্ষা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, ২৫ থেকে ৪৪ এই বয়সের মধ্যে পুরুষ ও নারী উভয়েরই ওজন বাড়ে। পুরুষদের ক্ষেত্রে গড়ে ৩.৪% এবং নারীদের গড়ে ৫.২% ওজন বৃদ্ধি পায়। অর্থাত্‍‌ কোনো পুরুষের ওজন যদি ১৬০ পাউন্ড হয়, বছরে ৫ পাউন্ড করে বেড়ে চলবে। এবং একই ওজনের মেয়েদের ক্ষেত্রে বাড়বে ৮ পাউন্ড। দেখা গেছে পুরুষের মধ্যদেশ যত স্ফীত হয়, পেনিস সেই হারে গুটিয়ে ছোট হতে থাকে। ওজন ঝরালে, আবার পেনিস ঠিক হতে থাকে।

৪. বয়ঃবৃদ্ধির সঙ্গে পেনিস ছোট হয়ে যায়
এর অন্যতম কারণ হল ধমনীতে জমতে থাকা ফ্যাট। যার জন্য পুরষাঙ্গে রক্তপ্রবাহ কমে যায়। সেখানে তৈরি হয় অস্থিতিস্থাপক কোলাজেন। ফলে স্বাভাবিক কারণেই লিঙ্গ সঙ্কুচিত হয়ে যায়।

৫. পুরুষাঙ্গ আগের মতো ‘স্পর্শকাতর’ থাকবে না
টেস্টোস্টেরন নার্ভাস টিস্যুকে উত্তেজিত হতে সাহায্য করে। বয়সের সঙ্গে টেস্টোস্টেরন ক্রমশ কমতে থাকায়, স্বাভাবিক কারণেই পুরুষাঙ্গ আগের মতো সক্রিয় থাকে না। উত্তেজনা কমে আসে। লিঙ্গ দৃঢ় হতে চায় না। বা হলেও ইরেকশান ক্ষণস্থায়ী হয় না।

সূত্র: এই সময়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!