ব্রেক্সিট নিয়ে নতুন সংকটে থেরেসা মে

0
181

mayআন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বের হওয়া যাওয়া (ব্রেক্সিট) নিয়ে নতুন সংকটের মুখোমুখি প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। ০৩ ণভেম্বর বৃহস্পতিবার দেশটির উচ্চ আদালত জানিয়েছে, ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া শুরু করতে হলে সরকারকে পার্লামেন্টের অনুমতি নিতে হবে।

ঐতিহাসিক লিসবন চুক্তির আলোকে গঠিত হওয়া চুক্তিটির ৫০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, নিজ দেশের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী যেকোনো সদস্য রাষ্ট্র জোট থেকে সরে যেতে পারে। ছেড়ে যেতে আগ্রহী রাষ্ট্রকে আগে ইউরোপীয় কাউন্সিলের কাছে বিষয়টি জানাতে হবে। এরপর এ নিয়ে একটি চুক্তিতে উপনীত হতে আলাপ-আলোচনা চলবে। আলোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে ওই রাষ্ট্রের সঙ্গে ইইউ জোটের সমপর্ক কী হবে, তার আইনি ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। আর সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করতে সংশ্লিষ্ট দেশ দুই বছর সময় পাবে।

ব্রেক্সিট নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন ব্যবসায়ী জিনা মিলার। বৃহস্পতিবার রায়ে জ্যেষ্ঠ বিচারপতি বলেন, ‘ব্রিটিশ সংবিধানের সবচেয়ে মৌলিক আইন হচ্ছে পার্লামেন্ট স্বাধীন প্রতিষ্ঠান এবং এটি চাইলে যে কোনো আইন তৈরি করতে ও বাদ দিতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘রাজকীয় বিশেষ অধিকার বলে আর্টিকেল ৫০ অনুসারে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যকে প্রত্যাহার করার ক্ষমতা সরকারের নেই।’

রায়ে বলা হয়, ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া শুরু করতে সরকারকে অবশ্যই হাউজ অব কমন্সের অনুমোদন নিতে হবে। হাউজ অব কমন্সে এ বিষয়ের ওপর ভোট দেবেন এমপিরা। সেখানে অনুমোদন পেলেই প্রধানমন্ত্রী লিসবন চুক্তির অনুচ্ছেদ ৫০ সক্রিয় করতে পারবেন।

এ রায় পাওয়ার পর আপিলের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে ডিসেম্বরের শুরুর দিকে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত পাওয়া যাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here