ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেন টেরেসা মে

0
264

uk-raniআন্তর্জাতিক ডেস্ক: ব্রিটেনের সদ্যবিদায়ী প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের জায়গায় বসলেন দেশটির সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টেরেসা মে। ডেভিড ক্যামেরন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের কাছে পদত্যাগপত্র হস্তান্তরের পর কনজারভেটিভ পার্টির ঝানু রাজনীতিক থেরেসা মে’কে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের অনুরোধ জানান। বুধবার যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর দিয়েছে।

ব্রিটিশ রাজভবন বাকিংহাম প্যালেসে টেরেসা মে’কে স্বাগত জানান রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। এদিকে দেশবাসীর প্রতি একটি ‘উন্নততর যুক্তরাজ্য’ গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন নবনিযুক্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।

ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকার পক্ষে প্রচারণা চালালেও অভিবাসী প্রশ্নে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন ৫৯ বছরের এ ব্রিটিশ রাজনীতিক। পড়াশোনা করেছেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে। ১৯৯৭ সাল থেকে এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গত ছয় বছর ধরে তিনি ছিলেন ডেভিড ক্যামেরনের মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে কাজ করেছেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বের হয়ে আসাটাই হবে টেরেসা মে’র প্রধান চ্যালেঞ্জ। গণভোটকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট দলীয় বিভক্তি নিরসন, অবনতিশীল অর্থনীতির লাগাম টেনে ধরা এবং অভিবাসন নিয়ন্ত্রণসহ ইইউ’র সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্নির্ধারণের কাজটি তাকেই করতে হবে। এসবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিরোধী দলগুলোর মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবি।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য নিজের পরিকল্পনা, নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠন এবং ইইউর সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্নির্ধারণ নিয়ে ভাবনার সুযোগও হয়নি টেরেসা মে’র। তার প্রথম মন্ত্রিপরিষদে ইইউ’র পক্ষের-বিপক্ষের এমপিদের যুক্ত করে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ দলের বিভাজন নিরসনের চেষ্টা থাকবে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

সদ্যবিদায়ী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন মঙ্গলবার তার মন্ত্রিসভার সর্বশেষ বৈঠক করেছেন। বুধবার পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রীর জবাবদিহি শেষ করে রানির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। এরপরই রানির অনুরোধে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন টেরেসা মে। মঙ্গলবার থেকেই অবশ্য সরকারি বাসভবন থেকে সদস্যবিদায়ী প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরনের মালামাল সরাতে ভ্যানগাড়ির আনাগোনা শুরু হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here