ব্যালটে পরাস্থ করতে হবে ট্রাম্পের অ-আমেরিকান কর্মকান্ড : কংগ্রেসওম্যান ক্লার্ক

0
116

নিউইয়র্ক থেকে : ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অ-আমেরিকান নীতি রুখে দিতে হবে সামনের নির্বাচনে ডেমক্র্যাটদের বিপুল বিজয় দিয়ে। নিজেদের ভাগ্য নিজেদের হাতে এবং তার প্রয়োগ ঘটাতে হবে ব্যালট যুদ্ধে’-এ অভিমত পোষণ করেছেন মার্কিন কংগ্রেসে বাংলাদেশ ককাসের প্রভাবশালী সদস্য এবং কংগ্রেসের নি¤œকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে জ্বালানী ও বানিজ্য সম্পর্কিত কমিটির সদস্য কংগ্রেসওম্যান ইভ্যাটি ডি ক্লার্ক। নিউইয়র্ক সিটির ব্রুকলীনে বাংলাদেশী অধ্যুষিত নবম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে ডেমক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান ইভ্যাটি ক্লার্ক প্রবাসী বাংলাদেশীদের কর্মনিষ্ঠার প্রশংসা করে আরো বলেন, ‘আমার অভিভাবকর্ওা ইমিগ্র্যান্ট। তারা জ্যামাইকা থেকে এদেশে এসে আপনাদের মতোই কঠোর পরিশ্রম করেছেন। নবাগতদের দু:খ, কষ্ট, লাঞ্ছনা-বঞ্ছনার অভিজ্ঞতা আমারও রয়েছে। বিশেষ করে ট্রাম্প প্রশাসনের কারণে ইমিগ্র্যান্টরা কী ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলা করছেন, সেটিও আমার অজানা নেই। আর এমন অবস্থার অবসানেই সকলকে ডেমক্র্যাটিক পার্টির পতাকাতলে জড়ো হতে হবে। নির্বাচনের দিন কেন্দ্রে যেতে হবে সকলকে নিয়ে।’

৬ জানুয়ারি শনিবার রাতে নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সে তাজমহল পার্টি সেন্টারে ‘নিউ আমেরিকান ডেমক্র্যাটিক ক্লাব’র বার্ষিক সমাবেশে সম্মানীত অতিথি ছিলেন এই কংগ্রেসওম্যান। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল শামীম আহসানও বক্তৃতা করেন। স্মরণকালের ভয়াবহতম শীত উপেক্ষা করেই বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর সমাগম ঘটে এ সমাবেশে।

১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ক্লাবের প্রেসিডেন্ট মোর্শেদ আলমের নেতৃত্বে আগামী দুই বছরের জন্যে নতুন পরিচালনা পরিষদ ঘোষণা করা হয় এ সময়। কর্মকর্তারা হলেন : প্রেসিডেন্ট-মোর্শেদ আলম, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট-মাফ মিসবাহ, পরিচালনা পর্ষদের চেয়ার-রুবাইয়া রহমান, কো-চেয়ার-মুক্তিযোদ্ধা মনির হোসেন এবং মনিকা রায়, রাজনীতি বিষয়ক পরিচালক-ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, শ্রম-পরিচালক-কাজী মনীর, জন-সংযোগ পরিচালক-করিম চৌধুরী, নারী বিষয়ক পরিচালক-রোকেয়া আকতার। ভাইস প্রেসিডেন্ট রয়েছেন ডজনখানেক।

কম্যুনিটি সার্ভিসে বিশেষ অবদানের জন্য এ সময় বিপুল করতালির মধ্যে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয় নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের অন্যতম সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল কাদের মিয়া এবং এটর্নী এলিজাবেথকে।

সমাবেশের বক্তারা আমেরিকান স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে দেশীয় রাজনীতির পরিবর্তে মূলধারার রাজনীতিতে সময়, মেধা ও অর্থের বিনিয়োগ ঘটানোর আহবান জানান। এজন্যে সকলকে সবকিছুর উর্দ্ধে উঠার প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন।

ডিনারের আগে প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পীরা নৃত্য ও সঙ্গিত পরিবেশন করেন।