ব্যাংকগুলো দখলে রাখতে আইন সংশোধন হচ্ছে: ফখরুল

0
72

mirza-fakhrul_291161ঢাকা: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরকার ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধন করে যে আইনের খসড়া অনুমোদন করেছে, তাতে এখন পরিচালকদের মধ্যে যারা দুই মেয়াদ রয়েছেন, তারা আরও এক মেয়াদ থাকতে পারবেন। এ আইন পাস হলে একই পরিবারের চারজন পরিচালক হতে পারবেন। অর্থাৎ সেই ব্যাংকিং ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে গোটা অর্থনীতিকে তারা লুট করার ষড়যন্ত্র করছেন।

সোমবার বিকেলে কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির এক কর্মিসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উত্তর মহানগর বিএনপির সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর উত্তরের সহসভাপতি মুন্সি বজলুল বাছিদ আনজু। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমান উল্লাহ আমান, মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান  সোহেল, সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, উত্তরের সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসান, সহসভাপতি সাহাব উদ্দিন, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের মধ্যে যুবদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম নিরব, এসএম জাহাঙ্গীর, স্বেচ্ছাসেবক দল ইয়াসীন আলী, মহিলা দলের পেয়ারা মোস্তফা, ছাত্র দলের সাজ্জাদ হোসেন রুবেল প্রমুখ।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বর্তমান আইনে বাণিজ্যিক ব্যাংকের পরিচালকরা তিন বছর করে দুই মেয়াদে ছয় বছর পরিচালক থাকতে পারেন। প্রস্তাবিত আইনে কোনো কোম্পানির পরিচালক একনাগাড়ে নয় বছর থাকতে পারবেন। ব্যাংকগুলো দখলে রেখে লুটপাট চালাতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

তিনি আরও বলেন, দেশে নামে পার্লামেন্ট আছে। এই পার্লামেন্ট সরকারের একটা গৃহপালিত বিরোধী দল আছে। যেখানে সরকারের সমস্যা তুলে ধরে আলোচনা-সমালোচনা হওয়ার কথা, সেখানে হয় না। সেই কারণে এই সংসদ কোনো সংসদই নয়।

একাদশ নির্বাচন সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা নির্বাচন চাই, নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা হোক। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আমরা সরকারে যেতে চাই।

তিনি বলেন, প্রশাসনকে চাপ দিয়ে সরকার দেশের বিচার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করছে। দেশের বিচার ব্যবস্থা স্বাধীন নয়। প্রধান বিচারপতির বক্তব্যের মধ্য দিয়েই প্রমাণিত হয়েছে যে দেশে গণতন্ত্র নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here