‘বিমানবন্দরগুলোর উন্নয়নে সরকার নানামুখী ব্যবস্থা নিয়েছে’

0
191

PM_Parliamentঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের বিদ্যমান বিমানবন্দরগুলোর উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে সরকার নানামুখী ব্যবস্থা নিয়েছে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উন্নয়নে মাষ্টার প্লান প্রণয়ন করা হয়েছে। বিমানবন্দরে নিরাপদে বিমান চলাচলের জন্য বিদ্যমান রানওয়ের ওপর এসফল্ট ওভারলের মাধ্যমে রানওয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিদ্যমান টেক্সিওয়ে রি-কনস্ট্রাকশনের মাধ্যমে টেকশিওয়ের ক্যাটাগরি উন্নয়নসহ লাইটিং সিস্টেম উন্নীত করা হয়েছে। এরফলে সুপরিসর বিমানের নিরাপদ চলাচল ব্যবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

২২ ফেব্রুয়ারি বুধবার জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজীর (নারায়ণগঞ্জ-১) এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এরআগে সন্ধ্যা ৬টা ২৩ মিনিটে ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, জাইকার অর্থায়নে বিমানবন্দরগুলোর সেফটি ও সিকিউরিটি ব্যবস্থার উন্নয়নকল্পে গৃহিত প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে হযরত শাহ-আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সিকিউরিটি সংক্রান্ত ৭টি ইটিডি, ১টি এন্টি-এক্সপ্লসিভ কন্টেইনার, ১৯টি এক্সেস কন্ট্রোল সিস্টেম ও ১টি ডুয়েল ভিউ স্ক্যানিং মেশিন সংস্থাপন করা হয়েছে। শাহ আমানত বিমানবন্দরের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি রাডার স্থাপন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যশোর এবং সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ভিডিওআর ও ডিএমই সংস্থাপন করা হয়েছে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অবশিষ্ট ৪টি ডুয়েল ভিউ হোল্ড ব্যাগেজ স্ক্যানিং সিস্টেম স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। বিমানবন্দরে অগ্নিনির্বাপক সংক্রান্ত নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং বরিশাল বিমানবন্দর ও কক্সবাজার বিমানবন্দরের জন্য ফায়ার ভেহিক্যাল ক্রয় করা হয়েছে।

তিনি বলেন, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করে সুপরিসর বিমান চলাচলের লক্ষ্যে বিদ্যমান রানওয়ে সম্প্রসারণ ও এর সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ লাইটিং সিস্টেম উন্নয়নের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। হযরত শাহ-আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আমদানি ও রপ্তানি কার্গো এলাকায় ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কার্গো গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কাজ দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে কার্গো হ্যান্ডলিং সেমি-অটোমেশন করা হয়েছে। এই বিমানপবন্দর থেকে উড্ডয়নকারী বিমানে বহনকারী কার্গো মালামাল স্ক্যানিং করার জন্য রপ্তানি কার্গো ভিলেজে ৪টি মেশিন স্থাপন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি বিমানে ফুয়েল নেয়ার জন্য রি-ফুয়েলিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জন্য রানওয়ে সুইপার কেনা হয়েছে। শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কার্গো শেড নির্মাণের মাধ্যমে কার্গো ফ্যাসিলিটি বৃদ্ধি করা হয়েছে। শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো বিমানের পার্কিং এরিয়া বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ চলছে।