বিদায়বেলা দেয়া ওবামার বক্তব্যের মনছোঁয়া অংশ

0
81

8অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তার বিদায়ী ভাষণে আমেরিকার নাগরিক তথায় বিশ্ববাসীর মন ছুঁয়ে গেছেন। ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া ওবামা মঙ্গলবার রাতে শিকাগোতে বিদায়ী ভাষণদেন। ভাষণের মনছোঁয়া অংশ তুলে ধরা হলো:

(১) যখন দায়িত্ব নিয়েছিলাম, তার চেয়ে একটা উন্নততর আমেরিকাকে রেখে যাচ্ছি।

(২) যথার্থ পরিবর্তন তখনই আসে, যখন মানুষ তার সঙ্গে যুক্ত হয়। সবাই কাছাকাছি এসে সেই দাবিকে আরও জোরালো করে।

(৩) প্রতিদিন আমি আপনাদের কাছে শিখেছি। আপনারাই আমাকে আরও উন্নত রাষ্ট্রপতি ও উন্নত মানুষ বানিয়েছেন।

(৪) আমি ও মিশেল আপনাদের অনেক শুভেচ্ছা পেয়েছি। সেগুলি মনকে ছুঁয়ে গেছে। বিদায়বেলায় আমিও বলছি, ধন্যবাদ।

(৫) আমি ট্রাম্পকে আগেই কথা দিয়েছি, আমার দিক থেকে সবসময় পূর্ণ সহযোগিতা থাকবে।

(৬) নতুন একজন নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি আসছেন। আশা করব, এই রূপান্তর মসৃন হবে।

(৭) যে যাই বলুক, বর্ণবৈষম্যের সমস্যা আগের থেকে অনেকটাই কমেছে। তবে তা আরও কমিয়ে আনতে হবে।

(৮) প্রতিপক্ষের কথাও শুনতে হয়, বুঝতে হয়। প্রতিপক্ষেরও অনেক ইতিবাচক দিক আছে, এই বিশ্বাস রাখতে হয়।

(৯) গত আট বছরে কোনো বিদেশি জঙ্গি সংগঠন কোনো নাশকতা ঘটাতে পারেনি। তাদের সব পরিকল্পনাকে বানচাল করে দেওয়া গেছে। হাজার মানুষের মধ্যেও দশ জঙ্গিকে ঠিক চিহ্নিত করা গিয়েছে।

(১০) আইএসআই এল বড় বিপদ। কিন্তু তারাও একদিন শেষ হবে। যারা আমেরিকাকে ক্রমাগত হুমকি দিয়ে চলেছে, তারা নিরাপদ থাকতে পারে না।

(১১) আমেরিকায় বসবাসকারী মুসলিমদের সঙ্গে কোনও বৈষম্য হয়নি।

(১২) মিশেল, গত ২৫ বছর ধরে তুমি শুধু আমার স্ত্রী নও, শুধু আমার সন্তানদের জননী নও, এই ২৫ বছরে তুমি আমার সেরা বন্ধু। নতুন প্রজন্মের কাছে তুমি দৃষ্টান্ত। তুমি আমাকে ও আমার দেশকে গর্বিত করেছো।

(১৩) নিজেদের উপর বিশ্বাস রাখুন। আপনারাই পারেন আরও ভাল এক আমেরিকা উপহার দিতে।

(১৪) জীবনের বাকি দিনগুলোতেও আপনাদের সঙ্গেই থাকব, একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে।

(১৫) আমরিকার গণতন্ত্র বেশ শক্তিশালী। কিন্তু এটা বিরামহীন এক প্রক্রিয়া। এর অনুশীলন চালিয়ে যেতে হবে।

(১৬) বক্তৃতার মাঝে আরও চার বছরের দাবি উঠলে শান্তভাবে ওবামা বলেন, না, আমি এটা করতে পারি না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here