বিএসএমএমইউতে ভর্তি খালেদা জিয়া

0
6

৫ সদস্যের নতুন মেডিকেল বোর্ড আজ চিকিৎসা শুরু * আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে -হাসপাতাল প্রশাসন * বিএসএমএমইউতে আনায় রোগীর অধিকার হরণ করা হয়েছে-ডা. জাহিদ

দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে শনিবার তাকে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বেলা ৩টা ১১ মিনিটে খালেদা জিয়াকে বহনকারী গাড়িবহর কারাগার থেকে রওনা হয়। বিকাল ৩টা ৪১ মিনিটে হাসপাতালের গেটে পৌঁছায়।

বিএসএমএমইউতে ভর্তির পর মেডিকেল বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক ডা. আবদুল জলিল চৌধুরী খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা নেন। আজ বেলা ১টায় মেডিকেল বোর্ডের সব সদস্য আলোচনার মাধ্যমে তার চিকিৎসা শুরু করবেন। তবে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিএসএমএমইউতে আনায় ‘পেশেন্ট রাইটস বা রোগীর অধিকার’ হরণ করা হয়েছে, পাশাপাশি মেডিকেল বোর্ড গঠনে আদালতের নির্দেশনা অবমাননা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এজেএম জাহিদ হোসেন।

এর আগে চলতি বছরের ৭ এপ্রিল খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য কারাগার থেকে বিএসএমএমইউতে আনা হয়েছিল। সে সময় কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে ফের জেলাখানায় পাঠানো হয়। ওই ঘটনার ছয় মাস পর শনিবার তাকে চিকিৎসার জন্য বিএসএমএমইউতে ভর্তি হল। উচ্চ আদালতের নির্দেশে শনিবার খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বিএসএমএমইউতে আনা হয়। শনিবার সকাল থেকেই কারাগারের আশপাশে এবং বিএসএমএমইউ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে নিরাপত্তা বলয়। কারাগার থেকে খালেদা জিয়াকে নিয়ে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ৮টি গাড়ির বহর বৃষ্টির মধ্যে বিকেল ৩টা ৪১ মিনিটে হাসপাতালে পৌঁছায়।

বহরে র‌্যাব, চকবাজার থানার ওসি, লালবাগ জোনের এসি, ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স, ফোর্স পুলিশের গাড়ি ছিল। কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যেই খালেদা জিয়াকে গাড়ি থেকে নামিয়ে হুইলচেয়ারে করে কেবিন ব্লকের ছয় তলায় ৬১১ নম্বর ভিভিআইপি কেবিনে নেয়া হয়। এ সময় তার পরনে ছিল গোলাপি রঙের শাড়ি। তবে তাকে অনেকটা বিমর্ষ দেখাচ্ছিল। এখানে ৬১১ ও ৬১২ নম্বর ভিভিআইপি কেবিন দুটি তার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

খালেদা জিয়াকে শনিবার বিএসএমএমইউতে আনা হবে গণমাধ্যমকে এ সংক্রান্ত তথ্য দেন কারা মহাপরিদর্শক। এ তথ্য প্রকাশের পর থেকে হাসপাতালের আশপাশে বিএনপি ও এর অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ভিড় করতে থাকেন। মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যেই খালেদা জিয়ার গাড়িবহর হাসপাতালে পৌঁছায়। বৃষ্টির মধ্যেই নেতাকর্মীরা তার মুক্তির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। এদিকে খালেদা জিয়াকে কেবিন ব্লকে নিয়ে যাওয়ার পর সি-ব্লকের সামনে জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন দলীয় নেতাকর্মীরা। এর ৫-৭ মিনিট পর পুলিশ তাদের বিএসএমএমইউ চত্বর থেকে বের করে দেয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপকমিশনার মারুফ হোসেন সরদার বলেন, হাসপাতালে রোগীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বিএনপির নেতাকর্মীদের বের করে দেয়া হয়েছে। এদিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় সাংবাদিকদের বলেছেন, খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে আনার বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষ আমাদের সহযোগিতা চেয়েছিল। আমরা তাদের সহযোগিতা করেছি। তারা আমাদের যেভাবে বলেছে, আমরা সেভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। খালেদা জিয়াকে বিএসএমএমইউতে ভর্তি করা হয়েছে। তাকে আজ (শনিবার) ফিরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে কোনো নির্দেশনা আমাদের কাছে নেই। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার নিরাপত্তার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

এর আগে পুলিশের একটি গাড়িতে খালেদা জিয়ার শোয়ার ম্যাট্রেসটি হাসপাতালে আনা হয়। কারাগারে থাকা খালেদার গৃহকর্মী ফাতেমাও গাড়ি থেকে নেমে হাসপাতালে উঠতে দেখা যায়। এ ছাড়া বেলা পৌনে ১টার দিকে পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যানে খালেদা জিয়ার ব্যবহৃত জিনিসপত্র হাসপাতালে নিয়ে আসেন চার কারা পুলিশ সদস্য। খালেদা জিয়াকে বিএসএমএমইউতে নিয়ে চিকিৎসা প্রদান সংক্রান্ত আদালতের নির্দেশনার পর থেকেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। বেলা সাড়ে ১১টায় হাসপাতালের কেবিন ব্লকের ৬ তলায় গিয়ে দেখা গেছে, ভিভিআইপি কেবিন নং ৬১১ ও ৬১২ প্রস্তুত রাখা হয়। হাসপাতালে আনার পর তাকে ৬১১ নম্বর কেবিনে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে পাশের কেবিনটি তার জন্যই ব্যবহার হবে বলে নিশ্চিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে আনার খবর পেয়ে দলীয় সমর্থকরা হাসপাতাল চত্বরে ভিড় জমায়। এ সময় বিএনপির নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, কেন্দ্রীয় নেতা জয়নাল আবদীন, অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, নিতাই রায় চৌধুরী, আমানউল্লাহ আমান, খায়রুল কবির খোকন, নাজিমউদ্দিন আলম, একেএম আজিজুল হক, ফরহাদ হালিম ডোনার, শিরিন সুলতানা, সানাউল্লাহ মিয়া, হেলেন জেরিন খান, শাম্মী আখতার, শায়রুল কবির খান। তবে তারা কেউ খালেদা জিয়ার কাছে যেতে পারেননি।

খালেদা জিয়াকে বিএসএমএমইউতে ভর্তির পর বিকেল পৌনে ৫টায় সি-ব্লকের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহ আল হারুন। তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য গঠিত পাঁচ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড রোববার (আজ) বৈঠকে বসবে। খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেবিন ব্লকের ষষ্ঠ তলায় অবস্থান করছেন। তার চিকিৎসার বিষয়ে আদালত থেকে একটি আদেশ জারি করা হয়েছিল। ওই নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করেছি। খালেদা জিয়া আসার পর বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক ডা. এমএ জলিল চৌধুরী তার সঙ্গে দেখা করেন। চিকিৎসা শুরুর আগে যেসব ফরমালিটিজ করা প্রয়োজন সেগুলো করা হয়েছে। রোববার (আজ) বেলা ১টার পর পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট মেডিকেল বোর্ডের সভা হবে। বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা চিকিৎসা শুরু করতে পারব।’

তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তিন সদস্য পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন যাদের বোর্ডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তারা হলেন- প্রখ্যাত রিউমাটোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক, কার্ডিওলজি বিভাগের প্রাক্তন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সজল কৃষ্ণ ব্যানার্জি এবং অর্থোপেডিক বিভাগের প্রাক্তন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. নকুল কুমার দত্ত। এ ছাড়া আগের বোর্ডের প্রধান ইন্টারনাল মেডিসিনের অধ্যাপক ডা. আবদুল জলিল চৌধুরী এবং ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. বদরুন্নেসা আহমেদ বোর্ডে রয়েছেন।

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া আমাদের সঙ্গে কথা বলেছেন, কুশল বিনিময় করেছেন। উপাচার্য মহোদয়ও তাকে দেখতে গিয়েছিলেন, তার সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন।’ তার নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রিগেডিয়ার হারুন বলেন, জেল কোড অনুযায়ী তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

এদিকে বিএসএমএমইউতে খালেদা জিয়াকে ভর্তি করায় তার ‘পেশেন্ট রাইটস বা রোগীর অধিকার হরণ’ করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ড্যাবের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, যে কোনো রোগীর নিজের পছন্দমতো চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নেয়ার অধিকার রয়েছে। নিজের ইচ্ছামতো হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার অধিকার রয়েছে। কিন্তু খালেদা জিয়াকে তার নিজের পছন্দের চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নিতে দেয়া হচ্ছে না। এটা রোগীর অধিকার হরণ।

অধ্যাপক জাহিদ বলেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় যে বোর্ড গঠন করা হয়েছে সেখানে আদালতের নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে। কারণ বোর্ডের তিনজন সদস্য স্বাচিপের আজীবন সদস্য। অথচ আদালত অরাজনৈতিক চিকিৎসকদের সমন্বয়ে বোর্ড গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, বোর্ডে একজন চিকিৎসক আছেন যিনি এর আগে বিএনপির মহাসচিবের বিষয়ে আদালতে ‘রং স্টেটমেন্ট’ দিয়েছিলেন। বিএনপির মহাসচিবের হার্টে রিং পরানো আছে, ঘাড়ে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। যার শরীরে স্বাভাবিকভাবে রক্তচলাচল হয় না, এমন ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা নিয়ে ওই চিকিৎসক স্টেটমেন্টে লিখেছিলেন ‘সুস্থ ও স্বাভাবিক’। পরে এ নিয়ে আপিল করা হলে তাকে পরিবর্তন করা হয়। এমনকি সাবেক প্রধান বিচারপতি সিনহাকে অসুস্থ বানিয়ে বিদেশে পাঠানোর পেছনেও এই চিকিৎসকের হাত রয়েছে। তার অধীনে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা কতটা নিরাপদ সেটা ভাববার বিষয়।

ডা. জাহিদ বলেন, খালেদা জিয়ার দুই পায়ের নি রিপ্লেসমেন্ট হয়েছে। তার চোখে অস্ত্রোপচার হয়েছে। এগুলো সবারই জানা। বিএসএমএমইউতে নি রিপ্লেসমেন্ট চিকিৎসা শুরু হয়েছে কয়েকদিন হল। তাই আমাদের দাবি ছিল- একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে যেন তার চিকিৎসা হয়। আদালতের নিদের্শনা অনুযায়ী খালেদা জিয়ার পছন্দের চিকিৎসকদের দিয়ে তার চিকিৎসা করানোর কথা। অথচ আমরা যারা তার দীর্ঘদিনের চিকিৎসক, আমাদের তার কাছে যেতে দেয়া হয়নি। তিনি বলেন, তার মতো একজন রোগীর চিকিৎসার বিষয়টি যেন রাজনীতির ঊর্ধ্বে থাকে।

প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডাদেশ দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫। এরপর থেকে খালেদা জিয়া নাজিমুদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন। ওই মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের পাঁচ মাসের মাথায় ১২ জুলাই আপিলের শুনানি শুরু হয়।

এদিকে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য একটি বিশেষ বোর্ড গঠন করার নির্দেশনাসহ তার চিকিৎসাসেবা সংক্রান্ত যাবতীয় নথিপত্র দাখিলের নির্দেশনা চেয়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর একটি রিট করা হয়। ওই আবেদনের ওপরই বৃহস্পতিবার আদালত চিকিৎসার আদেশ দেন। এর মধ্যে আবার গত ১৫ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত পাঁচ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে। পরদিন ১৬ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদন কারা প্রধানের কাছে জমা দেয়া হয়। যেখানে স্বাস্থ্যগত পরিস্থিতি বিবেচনায় খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেয়ার জন্য মত দেয় মেডিকেল বোর্ড। তবে যে হাসপাতালে সব ধরনের চিকিৎসা সুবিধা রয়েছে সে হাসপাতালের কথা সুপারিশ করা হয়। সে বিবেচনায় বিএসএমএমইউ হাসপাতালের কথাই উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে।

গত বৃহস্পতিবার হাইকোটের দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী, খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য মোট পাঁচ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হবে। বিএসএমএমইউর ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক আবদুল জলিল চৌধুরী ও ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক বদরুন্নেসা আহমেদ এ বোর্ডে থাকবেন। অন্যদিকে কার্ডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক হারিসুল হক, অর্থোপেডিক বিভাগের অধ্যাপক আবু জাফর চৌধুরী এবং চক্ষু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তারেক রেজা আলীর পরিবর্তে তিনজন নতুন চিকিৎসক মনোনীত করে দেবে সরকার। নতুন এই তিনজনের কেউ কেন্দ্রীয় বা জেলা পর্যায়ে সরকার সমর্থক স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) বা বিএনপি সমর্থক ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) বর্তমান বা সাবেক সদস্য কিংবা সমর্থক হতে পারবেন না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here