বাংলাদেশ-ভারত ঐতিহাসিক টেস্টে ছিল যত অনিয়ম!

0
140

10স্পোর্টস ডেস্ক: টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারীতে প্রথমবারের মত ভারতের মাটিতে টেস্ট খেলেছিল বাংলাদেশ দল। সিরিজের একমাত্র টেস্ট শুরুর আগে থেকে ছিল আলোচনা। আয়োজক, বোর্ড, দর্শক সবার মাঝে ছিল অন্যরকম উম্মাদনা।

যেখানে শুরুতেই ফান্ডের অভাবে হায়দরাবাদ এই টেস্ট আয়োজন নিয়ে নেতিবাচক অবস্থানে ছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত সেটি আর হয়নি। কিন্তু ১৩ ফেব্রুয়ারি টেস্টটি সফলভাবে শেষ হলেও ফের এ নিয়ে শুরু হয়েছে নানা বিতর্ক! যার হোতা খোদ হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন! যেই রাজ্য সংস্থা শুরুতে ফান্ডের অভাবের কথা বলেছিল, সেই রাজ্য সংস্থাই যুক্ত ছিল নানা অনিয়মে।

এমনই এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পর্যবেক্ষক রত্নাকর শেট্টি। প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, মাত্রাতিরিক্ত সৌজন্য টিকিট, দরপত্র আহবান থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতার উদাহরণ রেখেছে রাজ্য সংস্থা।

তবে বোর্ডের এই পর্যবেক্ষক সন্তুষ্ট প্রকাশ করে জানান, টেস্টটি সফলভাবে শেষ করতে সব ধরনের সহযোগিতাই করেছে হায়দরাবাদ। কিন্তু জবাবদিহির জায়গায় অস্বচ্ছতার উদাহরণে নিজেই ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন এই কর্মকর্তা।

রত্নাকর বলেছেন, ‘দরপত্রে কোনও স্বচ্ছতা ছিল না। দেখা গেছে সব ক্ষেত্রেই একজনকে দিয়ে সব কাজ করানো হয়েছে। এমনকি অন্তর্বর্তী সভাপতি নারেন্দ্র গৌদ নিজেই একটি সংস্থাকে দরপত্র ছাড়া টিকিট বিক্রির অনুমতি দিয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘৩৯ হাজার আসন বিশিষ্ট স্টেডিয়ামের ১১ হাজার ৫০০ টিকিটই গেছে সৌজন্য খাতে। দেখা গেছে বেশির ভাগই রাজ্য সংস্থার কর্মকর্তারা নিজেদের ভোট ব্যাংক বাঁচাতেই এই টিকিট বিনামূল্যে দিয়েছেন। এমনকি খাবারের ক্ষেত্রেও ছিল অনিয়ম। খাবারের ক্ষেত্রে খরচ হয়েছে ৭৫ লাখ রুপি!’

শেট্টি এসব কিছুই তিন পাতার প্রতিবেদনে হায়দরাবাদ হাইকোর্টে ২৪ ফেব্রুয়ারি জমা দিয়েছেন। যদিও পরবর্তী করণীয় নিয়ে এখনও কিছুই জানায়নি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here