বাংলাদেশের সাফল্যের গল্প শুনতে আসছেন বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট

0
111

6ঢাকা: বাংলাদেশে অতিদরিদ্রের হার ১২.৯ শতাংশে নেমে এসেছে। পাশের দেশ ভারত, পাকিস্তান ও ভুটানের চেয়েও এগিয়ে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের এই ‘উন্নয়ন বিস্ময়’ নজরে এসেছে জাতিসংঘেরও। তাই আগামী ১৭ অক্টোবরের বিশ্ব দারিদ্র্য বিমোচন দিবসটি এ দেশেই উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। ওই দিন বাংলাদেশের সাফল্যের গল্প শুনবে পুরো বিশ্ব।

২০০৫ সালেও দেশে যেখানে অতিদরিদ্রের হার ছিল ৪৩ শতাংশ, দশ বছরের ব্যবধানে তা কমে ১২.৯ শতাংশে নেমে এসেছে। বিশ্বের খুব কম দেশই এ সাফল্য দেখাতে পেরেছে। ফলে বিশ্বের সামনে বাংলাদেশ এখন এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিমের মতে, বিশ্বের অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের উচিত কিভাবে দারিদ্র্য দূর করতে হয়, তা বাংলাদেশের কাছ থেকে শেখা। তাঁর মতে, টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে এ দেশ অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের কাছে অনুকরণীয় হতে পারে।

দারিদ্র্যের হার কমিয়ে আনার সাফল্যের রহস্য বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাজধানীর র‌্যাডিসন হোটেলে অনুষ্ঠানটি হওয়ার কথা রয়েছে। আর সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ১৬ অক্টোবর আসছেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম। ২০১২ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই হবে এ দেশে তাঁর প্রথম সফর। তাঁর সঙ্গে আসছেন বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ পল রৌমার। বাংলাদেশ সফরের আগে জিম ইয়ং কিম জানিয়েছেন, ‘আমি অধীর আগ্রহে এ দিনটির অপেক্ষায় আছি, যে দেশে মানুষের জীবন-জীবিকা, নারীর স্বাধীনতা আর শিক্ষায় ব্যাপক গুণগত পরিবর্তন এসেছে।’ দারিদ্র্য বিমোচনের পাশাপাশি বাংলাদেশের অর্থনীতির ভবিষ্যৎও উজ্জ্বল বলে গত ডিসেম্বরে মন্তব্য করে গেছেন বিশ্বব্যাংকের সদ্য বিদায়ী প্রধান অর্থনীতিবিদ কৌশিক বসু। এ দেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির প্রশংসা করে তিনি বলেছিলেন, ধারাবাহিকভাবে ৬ শতাংশের ওপর প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা বিশ্বে বিরল।

LEAVE A REPLY