বাংলাদেশের উন্নয়নের আলোকে নিউইয়র্কে সেমিনার

0
87

নিউইয়র্ক থেকে : ‘১৯৯১ সালে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের আবেদন প্রত্যাখান করা হয় এই বলে যে, তাহলে বাংলাদেশের কোন তথ্যই গোপন থাকবে না। সবকিছু পাচার হয়ে যাবে। আর এভাবেই বিএনপি বাংলাদেশকে পিছিয়ে রাখার গভীর ষড়যন্ত্র চালিয়েছিল’-এ অভিযোগ করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির উপ-প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।

১৯ ডিসেম্বর মঙ্গলবার রাতে নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে পালকি পার্টি হলে ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিযাত্রা’ শীর্ষক সেমিনারে আমিনুল ইসলাম আরো বলেন, ‘সে সময় যদি সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন করা হতো, তাহলে বাংলাদেশ আজ অনেক ওপরে উঠতো। তবে জাতির জনকের দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ রচনার পথে অনেক অগ্রসর হয়েছি আমরা। বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গোটা জাতি উন্নয়নে একিভ’ত। ইতিমধ্যেই তার সুফল হিসেবে নি¤œ-মধ্যম আয়ের মর্যাদালাভে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। এখন কাজ চলছে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ রাষ্টে্রু পরিণত করার।’

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত এ সেমিনারে আমিনুল ইসলাম আরো উল্লেখ করেন, ‘বিশ্বের সৎ রাষ্ট্র নায়কের ১০ জনের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম তৃতীয় স্থানে। এরচেয়ে বড় অহংকারের আর কি হতে পারে। বিএনপি-জামাতের শাসনামলে দুর্নীতিতে টানা ৩ বারের চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। এখন আর সে অপবাদ নেই’।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমান এবং সঞ্চালনা করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি ভারপ্রাপ্ত আব্দুস সামাদ আজাদ। বিষয়বস্তুও ওপর আলোচনায় আরো অংশ নেন সহ-সভাপতি লুৎফুল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন দেওয়ান ও আবুল হাসিব মামুন, প্রচার সম্পাদক হাজী এনাম এবং মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী। নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো ছিলেন নির্বাহী সদস্য খোরশেদ খন্দকার, আব্দুল হামিদ প্রমুখ।

সকল বক্তাই সামনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষে গনজোয়ার সৃষ্টির সংকল্প ব্যক্ত করেন। নিজ নিজ এলাকার লোকজনকে নৌকা মার্কায় ভোট দানে উৎসাহিত করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন।