ফ্রান্সকে কাঁদিয়ে ইউরোর মুকুট পড়ল রোনালদোর পর্তুগাল

0
211

article-3683342-36246FED00000578-226_964x390স্পোর্টস ডেস্ক: অবশেষে ইউরোর মুকুট পড়ল পর্তুগাল। রোববার ফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ইউরোর চ্যাম্পিয়ন হয় ন্যানি-রোনালদোরা। এদিন তারা ১-০ গোলে হারায় স্বাগতিক ফ্রান্সকে।

অথচ ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্নক খেলতে থাকে ফ্রান্স। প্রথমার্ধের ৯ মিনিটেই গ্রিজম্যানের দুর্দান্ত হেড রুখে দেন পর্তুগালের গোলরক্ষক রুই প্যাট্রিসিও। শুধু গ্রিজম্যান একা নন, তার সঙ্গে দিমিত্রি পায়েত এবং অলিভিয়ের জিরাউড মিলে একের পর এক আক্রমণ করে নাজেহাল করে ফেলে পর্তুগালের রক্ষণভাগকে।

তবে ম্যাচের ২৪ মিনিটেই আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়েন পর্তুগালের সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। দিমিত্রি পায়েত এবং প্যাট্রিস এভরার ট্যাকল সামলাতে গিয়ে পায়ে আঘাত পান সিআর সেভেন। আর তাই কাল হয়ে দাঁড়ায় রোনালদোর জন্য। ভক্তদের সঙ্গে নিজেও কেঁদে স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

রোনালদোবিহীন পর্তুগালের বিপক্ষে ফ্রান্স যেন আরও বেশি শক্তিশালী ভুমিকায়। তবে একের পর এক আক্রমণ করেও পর্তুগালের জালে বল জড়াতে পারেননি দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা। যার বড় কৃতিত্বটা অবশ্য গোলরক্ষক রুই প্যাট্রিসিওর। কেননা ফরাসি স্ট্রাইকারদের দারুণ সব আক্রমণ অসাধারণ দক্ষতায় যে রুখে দেন তিনি। এর ফলেই ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

অতিরিক্ত সময়েও দাপট দেখায় ফরাসিরা। তবে ম্যাচের বয়স যখন ১০৯ মিনিট তখন একক প্রচেষ্টাতেই দুর্দান্ত শটে ফ্রান্সের জালে বল জড়ান এডার। এরপর আর কোন গোল না হলে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে পর্তুগাল।

ইউরোর ফাইনালের আগে রোনালদো-ন্যানি কিংবা পায়েত-গ্রিজম্যানরাই ছিলেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। সব আলোই ছিল তাদের উপর। অথচ ফাইনালে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মহানায়কের ভুমিকায় অবতীর্ণ হলেন এডার। এবারের আসরে এটাই তার প্রথম গোল আর সবমিলিয়ে পর্তুগালের জার্সিতে চতুর্থ গোল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here