ফ্যালকনের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবাষির্কী পালিত

0
241

falcon DSC090নিউইয়র্কঃ আইটি ক্ষেত্রে তরুণদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণা দিয়ে উচ্চবেতনে চাকুরি লাভে প্রয়োজনীয় সহযোগিতাকারী বাংলাদেশী মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ফ্যালকনের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হলো গত ৬ আগষ্ট শনিবার। এ উপলক্ষে সিটির জ্যাকসন হাইটসের জুইশ সেন্টারে আয়োজন করা হয় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের। অনুষ্ঠানে ফ্যালকন ইনফো টেক এর দুই সত্ত্বাধিকারী নজরুল ইসলাম ও মোশাররফ হোসেন তিন বছর তাদের প্রতিষ্ঠান যে সাফল্য অর্জন করেছে সে সম্পর্কে আলোকপাত করেন হলভর্তি দর্শক-শ্রোতাদের কাছে।

এই দুই বাংলাদেশী উদ্যোগী তরুণ তিন বছর আগে তাদের কার্যক্রম সীমিতভাবে শুরু করেন ভার্জিনিয়া ও নিউইয়র্কে। তারা আগ্রহীদের নিকট থেকে যে সাড়া পেয়েছেন তাতে ফ্যালকন ইনফোটেকের উপর আস্থা স্থাপন করে ক্রমবর্ধমান সংখ্যায় আইটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে ফ্যালকনের দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকদের নিকট থেকে। তাদের অনুষ্ঠানে এসেছিলেন তাদের নিকট থেকে প্রশিক্ষন নিয়ে চাকুরিক্ষেত্রে সফল হওয়া তুরুণরা এবং তারা উপস্থিত সকলকে তাদের অভিজ্ঞতার বর্ণনা করেন। এমন দু’জন ছিলেন সাঈদা রব ও অনিকা চৌধুরী এবং তারা উভয়ে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। বক্তব্য রাখেন ফ্যালকনের প্রেসিডেন্ট নজরুল ইসলাম ও অপর প্রতিষ্ঠাতা আইটির বিশেষজ্ঞ মোশাররফ হোসেন। এছাড়া অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আজমল হোসেন কুনু, গিয়াস আমিন মাসুদ, আদনান সৈয়দ, নাসির উল্লাহ, আরিফুল হক, সিপিএ আরমান চৌধুরী, চট্টগ্রাম সমিতির সাবেক সভাপতি কাজী সাখাওয়াত হোসেন আজম, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি গিয়াস আহমেদ, রকি ইসলাম, আবদুর রহিম, মোহাম্মদ তৈয়মুর রহমান, আবদুল ওয়াহাব, তৌহিদ আহমেদ, সাঈদ ওমর,এমটি উল্লাহ শামীম, আফজাল হোসেন, রেদওয়ান মুহিত প্রমুখ।

ফ্যালকনের প্রেসিডেন্ট নজরুল ইসলাম বলেন, ফ্যালকনে এসে আইটি বিষয়ে ট্রেনিং নিয়ে যে কেউ তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারেন। আমরা রশুরু প্রয়োজন প্রশিক্ষণ দিয়েই আমাদের দায়িত্ব শেষ করি না, আমাদের ছাত্রছাত্রীদের উচ্চ বেতনে চাকুরি লাভের নিশ্চয়তাও দিয়ে থাকি। আমাদের কাজ হচ্ছে, যাদের যোগ্যতা আছে তাদেরকে প্রশিক্ষণ দিয়ে জীবন বদলে দেয়া। এজন্য অর্থ কোন সমস্যা হয়ে দাড়ায় না। কোন ক্ষেত্রে আমরা প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী চাকুরি পাওয়ার পরই আমাদেরকে প্রশিক্ষণের ফি নিয়ে থাকি। আমাদের মুল লক্ষ্য হলো, যাদের স্বপ্ন আছে তাদেরকে স্বপ্ন পরণের পথ দেখানো। আমারা যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী কমিউনিটিকে এগিয়ে নিতে চাই।

তিনি আরো বলেন, তিন বছর আগে আমরা অতি ক্ষুদ্র পরিসরে শুধু কোর্স ডাটাবেজ এডমিনিষ্ট্রেটর তৈরি করে জব প্লেসমেন্ট করার চেষ্টা করা। এখন আমরা কাজের পরিধি আরো বৃদ্ধি করতে চাই। মোশাররফ বলেন, আমেরিকায় যাদের দুই বছরের কলেজ ক্রেডিট আছে, যারা ব্যাচেলর বা এসোসিয়েট সম্পন্ন করেছেন তারা নফ্যালকনের এই সুযোগ গ্রহণ করতে পারেন।তিন বছরে আমরা ২৭ জন তরুণ তরুণীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি, তাদের মধ্যে ২৪ জনই এখন আইটি সেক্টরে চাকুরি করছেন । তিন আমেরিকায় আইটি সেক্টরে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে বলেন, ২০২০ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে আইটি সেক্টরেন ১০ লাখ কর্মসংস্থান হবে। এ সুযোগ আমদের কমিউনিটি সহজে গ্রহণ করতে পারে। যাদের যোগ্যতা রয়েছে আমরা তাদের কাছে মাত্র ২৫ দিন সময় চাই। এর মধ্যেই সনিশ্চিত চাকুরির সম্ভাবনা রয়েছে।