ফিটনেস : মাংসপেশি গঠনের কয়েকটি উপায়

0
124

124844Paper_exer44শৈশব থেকে অনেকেই শরীরচর্চা করেন। কেউ কেউ শুধু নিয়ম করে ভোরবেলায় দৌড় বা হাঁটাহাঁটির মাঝে শরীরচর্চাকে সীমাবদ্ধ রাখেন।

কারো বা লক্ষ্য থাকে আরো একটু বেশি। শক্ত-পোক্ত শরীর গঠন করতে চান তাঁরা। তাঁদের শরীরচর্চাটা আবার একটু ভিন্ন। একটু বেশিই পরিশ্রম করতে হয়। আবার শুধু ব্যায়ামেই কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া সম্ভব নয়। সে জন্য যেমন পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে, তেমনি বিশ্রামের বিষয়টি উপেক্ষা করলে চলবে না। ব্যায়াম এবং খাবারের পাশাপাশি পর্যাপ্ত বিশ্রাম অর্থাৎ ঘুমাতে হবে।

স্কোয়াট : মাংসপেশি গঠনের জন্য স্কোয়াট গুরুত্বপূর্ণ এক ব্যায়াম। তবে এই ব্যায়ামটি যদি সঠিকভাবে না করা হয়, বা আধাআধি করা হয় তাহলে উপকারের চেয়ে অপকার বেশি হতে পারে। সমস্যা দেখা দিতে পারে হাঁটুতে।

ডেডলিফট : এটি আরো একটি প্রয়োজনীয় ব্যায়াম। শরীর গঠনে অন্য ব্যায়ামের সঙ্গে ভারোত্তোলন ব্যায়ামটি রাখা গুরুত্বপূর্ণ। কেননা মাংসপেশি গঠনে এই ব্যায়ামটি দারুণ কার্যকর।

সম্মিলিত ব্যায়াম : যে ব্যায়ামে শরীরের কোনো একটি অঙ্গের উপকার হয় তা না করে একই সঙ্গে একাধিক অংশের উপকার হয় তেমন ব্যায়াম করা উচিত। মাংসপেশি গঠনের জন্য এমন ব্যায়ামই উপযুক্ত।

ঘুম : মাংসপেশি গঠনের জন্য শুধু যে ব্যায়াম করতে হবে তা নয়, এর সঙ্গে বিশ্রামেরও দরকার। আর বিশ্রামের মূল অংশটাই হচ্ছে ঘুম। ব্যায়ামের ফলে শরীরের ওপর যে ধকল যায় তা পূরণের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন। এটা কোনোমতে ৮ ঘণ্টার কম হওয়া উচিত নয়।

প্রোটিন : মাংসপেশি গঠনের জন্য ব্যায়াম যতটা জরুরি ঠিক ততটাই জরুরি পুষ্টিকর খাবার। ব্যায়ামের ফলে শরীরে যে পুষ্টির ঘাটতি হয় তা ঠিকমতো পূরণ না হলে ক্ষতিরই আশঙ্কা থাকে। এ কারণেই ঘাটতি পুষিয়ে নিতে পর্যাপ্ত খাবার খেতে হবে, বিশেষ করে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার।

ধৈর্য : স্বল্প সময়ে নয়, দীর্ঘদিনের অনুশীলনের ফসল শক্ত-পোক্ত শরীর। মাংসপেশি গঠনে তাড়াহুড়া করলে চলবে না। নিয়মিত অনুশীলনেই কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া সম্ভব। এ ছাড়া যাঁরা নিয়মিত শরীর গঠনের জন্য ব্যায়াম করেন তাঁদের তুলনায় যাঁরা নতুন শুরু করেছেন তাঁদের ব্যায়ামটা আলাদা। সুতরাং তাড়াহুড়া করলে হিতে বিপরীত হতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here