প্রিয়ভাষিণীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছে জাতি

0
39

ঢাকা: মুক্তিযোদ্ধা-ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীকে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করছে জাতি। বেলা ১১টায় তার মরদেহকে গার্ড অব অনার জানানোর মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদান করা হয়। এরপর তার প্রতি সর্বস্তরের মানুষ শেষবারের মতো শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন।

জাতির শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য বেলা ১১টা থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হয়েছে প্রিয়ভাষিণীর মরদেহ। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের তত্ত্বাবধানে দুপুর ১২টা পর্যন্ত তাকে শ্রদ্ধা জানানো যাবে।

জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি ড. মো. সামাদ যুগান্তরকে জানিয়েছেন, শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

এরপর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে বলে জানান ড. মো. সামাদ।

জানা গেছে, শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বেলা ১১টার কিছুক্ষণ আগে ল্যাব এইড হাসপাতালের হিমঘর থেকে প্রিয়ভাষিণীর মরদেহ শহীদ মিনারে আনা হয়। এরপর ঢাকা জেলা প্রশাসকের পক্ষে তাজওয়ার আকরাম তাকাপি ইবনে সাজ্জাদের নেতৃত্বে প্রিয়ভাষিণীর মরদেহকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এরপর শুরু হয় সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব।

শহীদ মিনারে উপস্থিত আছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, প্রফেসর ইমিরেটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, ড. সারওয়ার আলী, চিত্রশিল্পী মনিরুজ্জামান, অভিনেত্রী লায়লা আফরোজ প্রমুখ।

গত মঙ্গলবার দুপুর ১টায় রাজধানীর বেসরকারি ল্যাব এইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী ইন্তেকাল করেন।

তিনি হৃদরোগের পাশাপাশি ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি তাকে ল্যাব এইড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী ১৯৪৭ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি খুলনায় জন্মগ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে নির্যাতিত হন। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১০ সালে তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান স্বাধীনতা পদক পান। ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে মুক্তিযোদ্ধা খেতাব প্রদান করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here