প্রথমদিনেই চমকে দেবেন ইমরান

0
20

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানের হবু প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান প্রথমদিনেই বিশ্বকে চমকে দেবেন। সার্কভুক্ত দেশের রাষ্ট্রনেতাদের আমন্ত্রণে জমকালো শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা করছে তার দল তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)।

এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সার্ক নেতাসহ প্রায় চার হাজার অতিথির উপস্থিতিতে ২০১৪ সালে শপথ নিয়েছিলেন। মোদি স্টাইলের শপথ অনুষ্ঠান পরিকল্পনার কথা মঙ্গলবার জানিয়েছে ইমরান খানের দল পিটিআইয়ের এক নেতা। খবর পিটিআইয়ের।

পাকিস্তানের গণমাধ্যমের খবর অনুসারে, আগামী ১১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন ক্রিটেক থেকে রাজনীতিক ইমরান খান। ২৫ জুলাই অনুষ্ঠিত নির্বাচনে পিটিআই ১১৫ আসনে জয়ী হয়েছে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় জোট গঠনে ছোট দলগুলোর সঙ্গে দরকষাকষি চালিয়ে যাচ্ছে দলটি।

পিটিআইয়ের এক নেতা বলেন, ‘দলের প্রধান কমিটি ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদিসহ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) নেতাদের পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি বিবেচনা করে দেখছে। শিগগিরই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

পাকিস্তানের নির্বাচনে জয়ী হওয়ায় ইমরান খানকে ফোন করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদির অভিনন্দন জানানোর বিষয়টিও জানিয়েছেন ওই নেতা। ইমরানকে মোদির অভিনন্দন জানানোর বিষয়টি দু’দেশের মধ্যে সম্পর্কের ‘নতুন অধ্যায়ের’ সূচনা বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইমরান খানের শপথ অনুষ্ঠানে মোদিকে দাওয়াত দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেননি পিটিআই মুখপাত্র ফাওয়াদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এ ছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে কথা হবে।’ ২০১৪ সালে মোদির শপথ অনুষ্ঠানে পাকিস্তান, আফগানিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ, ভুটান ও মরিশাসের রাষ্ট্রনেতারাসহ প্রায় চার হাজার অতিথি উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, পাকিস্তানের সাধারণ পরিষদে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দলে পরিণত হওয়ায় পিটিআই চেয়ারপারসন ইমরান খানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। পাকিস্তানে গণতন্ত্রের শেকড় আরও গভীর হবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেছেন।

সব প্রতিবেশীর সঙ্গে শান্তি ও উন্নয়নের লক্ষ্যের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। শুভ কামনার জন্য মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছে পিটিআই। এক বিবৃতিতে বলা হয়, সংঘাতের সমাধান সংলাপেই হওয়া দরকার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here