পরিতৃপ্ত জীবন চান? নিন অপরাহ উইনফ্রের এই ৩০ দিনের চ্যালেঞ্জ!

0
177

happinessমানুষ জীবনে কী চায়? বাড়ি, গাড়ি, ভালোবাসার মানুষ, সম্পদ- যেটার কথাই আপনি বলুন না কেন একটু ভেবে দেখলেই বুঝতে পারবেন যে আর কোন কারণে নয়, বরং একটু ভালো থাকার জন্য, নিজেকে খুশি রাখার জন্যেই এসবটা করছেন আপনি। করতে চাইছেন জীবনে। তাহলে জীবনের লক্ষ্য কি কেবলই খুশি থাকা? সম্প্রতি অপরাহ উইনফ্রের সাথে কথা বলার সময় খুশি বিশেষজ্ঞ শন অ্যাকর জানান, হ্যাঁ! মানুষ ভালো আর খুশি থাকতেই সবকিছু করে। তবে কেবল এটুকুই নয়, শন জানান এমন কিছু কাজের কথা যেগুলোর মাধ্যমে ৩০ দিনের ভেতরেই নিজেকে পুরোপুরি একজন সুখী ও খুশি মানুষে পরিণত করতে পারবেন আপনি। কী সেই পদ্ধতি? চলুন দেখে আসি নিঃসন্দেহে মাত্র ত্রিশ দিনে খুশি মানুষে পরিণত হওয়ার উপায়গুলো।

১ম দিন: সকালে ঘুম থেকে উঠেই এমন তিনটি জিনিসের কথা মনে করুন যেগুলোর জন্যে আপনি কৃতজ্ঞ। ( বাকী ২৯ দিন করুন। )

২য় দিন: গত ২৪ ঘন্টায় আপনার জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর ভেতরে সবচাইতে অর্থবোধক ও ভালো ঘটনাটির কথা মনে করুন। ( বাকী ২৮ দিন একই কাজ করুন। )

৩য় দিন: পরিচিত কারো সাথে কথা বলুন ও তার প্রশংসা করুন। ( বাকী ২৭ দিন একই কাজ করুন। )

৪র্থ দিন: দিনের অন্তত ১৫ মিনিট কার্ডিও কিংবা যেকোন ধরনের শরীরচর্চা করা শুরু করুন। ( বাকী ২৬ দিন একই কাজ করুন। )

পঞ্চম দিন: অন্তত ৫ মিনিট ধরে যোগব্যায়াম করুন। ( বাকী ২৫ দিন একই কাজ করুন। )

ব্যস! এভাবেই বাকী দিনগুলোতে একই কাজ চালু রাখুন। এভাবে ৫,১০,১৫,২০,২৫ করে একেবারে ৩০ দিনের দিন গিয়ে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন আর দেখুন কতটা ভালো রয়েছেন আপনি ৩০ দিন আগের তুলানায়। সত্যি বলতে গেলে, ততক্ষণ পর্যন্ত চেষ্টা করুন এগুলোকে যতক্ষণ না আপনার অভ্যাসে পরিণত হবে এগুলো। মানুষ একঘেঁয়েমী কিংবা রোমাঞ্চ- যে অবস্থার মধ্য দিয়েই যাক না কেন, একটা সময় গিয়ে চারপাশের সবকিছুই তুচ্ছ মনে হতে থাকে। কাছের মানুষের দেওয়া আঘাতে কিংবা নিজের প্রতি হতাশায় একটা সময় ভেঙে পড়ে সে। ভুলে যায় যে, এই একটা জিনিসের পাশাপাশি তার জীবনে আছে আরো হাজারটা ভালো ব্যাপার। যেগুলো হয়তো প্রতিনিয়ত তার সাথে ঘটে চলেছে অথচ কষ্টের কালো রংটা সরিয়ে সেগুলোকে দেখতে পাচ্ছেনা সে।

আর তাই এই পাঁচটি কাজ প্রতিটাদিন করে যান ঠিক ত্রিশদিন অব্দি। দেখবেন, আপনার সাথে ঘটে যাওয়া ভালো ব্যাপারগুলো ঠিকই চোখের সামনে আসতে শুরু করেছে আপনার আর পৃথিবীকে মনে হচ্ছে অনেক বেশি সুন্দর আর ভালোলাগার স্থান। নিজেকে মনে হচ্ছে প্রকৃত অর্থেই একজন খুশি মানুষ!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here