নিউইয়র্ক টাইমসের সম্পাদকীয় “ট্রাম্প আইনের ঊর্ধ্বে নন”

0
40

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নাগরিকই আইনের ঊর্ধ্বে নয়, এমনকি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও।

২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পুতিনের হস্তক্ষেপ নিয়ে যে ঘোলাজল তৈরি হয়েছে তাতে যদি ট্রাম্প কোনোভাবে মাছ ধরার চেষ্টা করেন তাহলে তাকে আইনের আওতায় এনে প্রয়োজনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রোববার প্রকাশিত দেশটির প্রভাবশালী দৈনিক দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের সম্পাদকীয়তে এ ‘চরম মন্তব্য’ করা হয়েছে।

সেখানে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, ট্রাম্প যদি কোনো উপায়ে নির্বাচনী হস্তক্ষেপবিষয়ক তদন্ত বন্ধ কিংবা বাধা প্রদান করার চেষ্টা করেন, তাহলে তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া হবে না।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার ওপর যে হস্তক্ষেপের অভিযোগ উঠলে তার তদন্ত ভার পড়ে ফেডারেল তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের ওপর।

তারপর থেকেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তদন্তে বাধা দেয়ার অভিযোগ আনেন কমিটির প্রধান ও মার্কিন আইন বিভাগের বিশেষ পরামর্শক রবার্ট মুলার।

বিশেষজ্ঞ ও সাংবাদিকরা আশঙ্কা করছেন এ কারণে ট্রাম্প বোধহয় মুলার ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রড রোসেন্টেইনকে বহিষ্কার করতে পারেন।

এটি করা হলে তিনি কোনোভাবেই ছাড় পাবেন না বলে জানান তারা। এছাড়া এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি দেশে রাজনৈতিক ও আইনি জটিলতার সম্ভবনা সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যেটি কোনোভাবেই কারও কাম্য নয়। যদি কোনোভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়ে যায়, সে ক্ষেত্রে জনগণ ও আইনপ্রণেতারা শক্ত হাতে এটি দমন করবে বলেও বলা হয়েছে।

‘ট্রাম্প একজন নাগরিক মাত্র, তিনি দেশের রাজা নন, কেবল সংবিধানবলে উনি অন্যান্য নাগরিকের থেকে বেশি নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন।

ওনাকে ভুলে গেলে চলবে না যে সংবিধান ও আইনের বলে তিনি ক্ষমতার অধিকারী হয়েছেন তার বাইরে গিয়ে কোনো কাজ করলে কোনো আপস করা হবে না।

আশা করি উনি তা মনে রাখবেন।’ এখন আমাদেরকে অপেক্ষা করতে হবে যদি উনি সংবিধানবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড করে বসেন সেক্ষেত্রে রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেন।

নির্বাচনে রাশিয়ার ১৩ জন নাগরিক হস্তক্ষেপ করেছে বলে গত মাসে এক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (এফবিআই)।

নির্বাচনে হস্তক্ষেপের জন্য ওই ১৩ জনকে এরই মধ্যে অভিযুক্তও করেছে তদন্ত সংস্থাটি। ২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের অভিযোগ ওঠার পর এফবিআইয়ের তদন্তে এটাকেই সর্বোচ্চ অগ্রগতি বলে উল্লেখ করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় রুশ তিনটি প্রতিষ্ঠানকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here