ধর্ষকগুরুর লালসা থেকে বাঁচতে যা করতেন নারীরা

0
56
আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: এই মুহূর্তে ভারতের সবচেয়ে আলোচিত খবর হল ধর্ষকগুরু গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের জীবন কাহিনী। সাজা ঘোষণার পরে একের পর এক কুকীর্তি বের হচ্ছে গুরুর।
এবার ধর্ষকগুরুর কুকর্ম নিয়ে মুখ খুলেছেন ডেরার আরেক সাধ্বী।
নির্যাতিতা সেই নারী জানিয়েছেন, কীভাবে ধর্ষক বাবার যৌন লালসা থেকে বাঁচতে ঋতুমতী হওয়ার অভিনয় করতেন তারা।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ওই সাধ্বী জানিয়েছেন, ‘রকস্টার বাবা’ প্রতিদিন রাত ১১টার সময়ে তার শয়নকক্ষে ডেকে পাঠাত যে কোনো একজন সাধ্বীকে।
ওই সাধ্বী জানান, প্রথম যেদিন তিনি বাবার রাতের বেলা ডেরায় ঢোকার ডাক পান, সেদিনই তিনি বুঝে যান বাবার আসল উদ্দেশ্য। বাবা সেই সময়ে আয়েশ করে বিছানায় শুয়ে শুয়ে পর্ন ছবি দেখছিল। মেয়েটিকে ঘরে ঢুকতে দেখে বাবা ইশারা করে বিছানায় বসতে বলে তাকে। তখনই চটজলদি বুদ্ধি খাটান ওই সাধ্বী। বলেন, তার পিরিয়ডস শুরু হয়েছে। এই অবস্থায় তার পক্ষে রাম রহিমের কাছে আসা সম্ভব নয়।
পরে তিনি দেখেন, তার মতো আরও অনেকেই ঋতুমতী হওয়ার অভিনয় করে বাবার ডাক এড়াচ্ছেন। প্রসঙ্গত, ধর্ষক বাবার প্রতি রাতে সাধ্বীদের সঙ্গে যৌন ক্রিয়াকলাপকে সাঙ্কেতিক ভাবে ‘বাবার মাফি’ বলে বর্ণনা করতেন ডেরার বাসিন্দারা।
প্রায় ৫ কোটি ভক্তের এই ‘বাবা’ নিজেকে ঈশ্বর প্রেরিত দূত বলে ঘোষণা করেছিল। বানিয়েছিল সিনেমাও। তার সাজা ঘোষণার পরে তুমুল অশান্তি করেছিল ভক্তরা। হয়েছিল প্রাণহানিও। বাবাও আদালতে বিস্তর কান্নাকাটি করেছিল। কিন্তু ক্রমেই সামনে আসছে ভয়ংকর সব তথ্য।
আপাতত আশ্রমের দুই সাধ্বীকে ধর্ষণের অপরাধে ১০ বছর করে মোট ২০ বছরের জন্য জেল খাটছে ধর্ষক বাবা। কিন্তু তার কুকর্মের নিত্যনতুন খবর প্রকাশ্যে আসার বিরাম নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here