তারিক রামাদানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হতে যাচ্ছে

0
23

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিখ্যাত মুসলিম পণ্ডিত তারিক রামাদানের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণের অভিযোগ মিথ্যা বলে প্রমাণিত হতে যাচ্ছে।

ফ্রান্সের জনপ্রিয় সাপ্তাহিক লে পয়েন্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যে রাতে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে বাদী হিন্দা আয়ারি দাবি করেছেন, সেই সময়ে তিনি ভাইয়ের বিয়েতে ব্যস্ত ছিলেন।

দেশটির লা মন্দ পত্রিকাও একই তথ্য দিয়ে বলেছে, বিয়ের অনুষ্ঠানে তোলা তার ছবিও পাওয়া গেছে।

তিউনিশিয়ায় জন্ম নেয়া লেখিকা হিন্দা আয়ারি বর্তমানে ফ্রান্সে বসবাস করছেন। তার স্মৃতিকথায় দাবি করেন, তাকে একটি হোটেলে ডেকে নিয়ে যৌন হয়রানি করা হয়েছিল। তখন তিনি কারও নাম উল্লেখ করে অভিযোগ করেননি।

হিন্দা আয়ারি। ছবি: সংগৃহীত

পরবর্তী সময় তিনি দাবি করেন, প্যারিসে ফেডারেশন অব ইসলামিক অর্গানাইজেশনস কনফারেন্সে বক্তৃতা দিতে গিয়ে তারিক রামাদান তাকে একটি হোটেল কক্ষে ডেকে নেন।

সেখানে তার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে রামাদান তাকে আলিঙ্কন করেন ও চুমু খান। কিন্তু যখন তিনি প্রত্যাখ্যান করেন, তখন তাকে চড়-থাপ্পড় মারা হয়েছে।

একসময়ের কট্টর ইসলামের অনুসারি আয়ারি বর্তমানে সেক্যুলার জীবন বেছে নিয়েছেন। লিবারাট্রিসেস নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধানও তিনি।

বর্তমানে উগ্রপন্থী ইসলামের বিরুদ্ধে কাজ করছেন বলে তিনি দাবি করেন।

মামলায় আয়ারি বলেছেন, ২০১২ সালের মার্চে প্যারিসের ক্রাউন প্লাজায় তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। কিন্তু পরে তিনি তার বক্তব্য পরিবর্তন করে বলেন, ঘটনাটি ঘটেছিল একই বছরের মে-তে আরেকটি হোটেল কক্ষে।

আয়ারি বলেন, তিনি ওই বছরের ২৬ মে সন্ধ্যায় ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। কিন্তু এখন জানা গেছে, ওই সময় তিনি সেইন ম্যারিটাইম এলাকায় তার ছোট ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে ব্যস্ত ছিলেন।

সেদিন তিনি বিয়েতে গিয়ে অতিথিদের সঙ্গে ছবিও তুলেছিলেন।

ধর্ষণের অভিযোগ আনার পর পুলিশ জেরায় হাজির হতে গিয়ে চলতি বছরের শুরুতে আটক হন সুইস পণ্ডিত তারিক রামাদান। কারাগারে তার শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি ঘটেছে।

তার শরীরের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা বলেছেন, কারাগারের পরিবেশের সঙ্গে তার শরীর একেবারেই যাচ্ছে না। কিন্তু তার পরও ফরাসি কর্তৃপক্ষ তাকে নিঃসঙ্গ কারাবাসে আটকে রেখেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here