তামিম-জিয়াকে ধরতে পুলিশের ২০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা

0
121

tamim_zia_122296_0ঢাকা: গুলশানের হলি আর্টিজান হোটেল ও শোলাকিয়ায় ঈদ জামাতে সন্ত্রাসী হামলার মূল পরিকল্পনাকারী চাকরিচ্যুত মেজর জিয়া ও তামিম চৌধুরী।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে পুলিশ সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের মহাপরিদর্শ এ কে এম শহীদুল হক এ কথা জানান। তাদের তথ্য দিতে পারলে ২০ লাখ টাকা পুরস্কার দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

একেএম শহীদুল হক বলেন, সাম্প্রতিক তিনটি ঘটনার মাস্টার মাইন্ড হচ্ছে এই তামিম চৌধুরী ও আনসারুল্লাহ বাংলাটিমের চাকরিচ্যুত মেজর জিয়া।

রাজধানীর কল্যাণপুরে জঙ্গি আস্তানা থেকে গ্রেপ্তার হাসানকে জিজ্ঞাসাবাদের জানা যায়, তামিম প্রায়ই তাদের ঐ আস্তানায় যেত এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ ছাড়াও অর্থের যোগান দিতো। এছাড়া সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্তকৃত মেজর জিয়া দীর্ঘ দিন ধরে নিখোঁজ।

আইজিপি বলেন, এই দুই হোতাকে গ্রেপ্তার করতে পারলে অনেক কিছু বের হয়ে আসবে। এই দুইজনকে গ্রেপ্তারে সহযোগিতা করলে বিশ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, গুলশানের ঘটনার একটি মামলা হয়েছে এবং মামলার তদন্ত করছেন কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। মামলার তদন্ত করতে গিয়ে বেশকিছু তথ্য আমরা পেয়েছি। তিনি বলেন, জঙ্গিদের অবস্থান ছিল মিরপুর, শেওড়াপাড়া, কল্যাণপুর এলাকায় অভিযান চালিয়েছি। আমরা তাদেরকে আত্মসর্পণের সুযোগ দিয়েছিলাম কিন্তু তারা সেই সুযোগ না নিয়ে আমাদের গালাগালি করেছে। আমরা দক্ষতার সাথে অপারেশন পরিচালনা করেছি। এতে নয় ‘জঙ্গি’ নিহত হয় এবং একজন আহত ও একজন পালিয়ে যায়।

তিনি বলেন, জেএমবির একটি গ্রুপ এসব কর্মকাণ্ড জড়িত। জেএমবির আরেকটি গ্রুপ রয়েছে যারা আদর্শ ব্লগার ও মাজার ভিত্তিক ব্যক্তিদের হত্যা করে। এদের মাস্টার মাইন্ড হচ্ছেন তামিম চৌধুরি। বাংলাদেশে তার বাড়ি হলেও বসবাস করেন কানাডায় এবং তিনি কানাডার নাগরিক, বাড়ি সিলেটে। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক তিনটি ঘটনারই হোতা।

এছাড়া আনসারুল্লাহ বাংলাটিমের নেতৃত্বে রয়েছেন চাকরিচ্যুত মেজর জিয়া। যদি দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে কেউ সহযোগিতা করে তাহলে তাদেরকে ২০ লাখ টাকা পুরস্কার দেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সংবাদ দাতার বা তথ্যদাতার পরিচয় গোপন করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
<