‘ডবল ও ডাকের’ বিরল রেকর্ড সাকিবের!

0
220

32স্পোর্টস ডেস্ক: রেকর্ডময় ছিল বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ডের প্রথম টেস্ট। একের পর এক রেকর্ডের জন্মদিয়েও হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে। এ টেস্টে এক বিরল রেকর্ড যুক্ত হয়েছেন বিশ্ব সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

১৯৩৫ দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যান ডাডলি নার্স অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ০ রান করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে করেছিলেন ২৩১ রান। তার ব্যাটে অবশ্য ম্যাচটি ড্র হয়েছিল, আর সর্বশেষ ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে এ রেকর্ড ছিল পাকিস্তানের শোয়েব মালিকের।

২০১৫ সালের সেই ম্যাচও ড্র হয়েছিল। ৯৭ বছরে সাকিব আল হাসান নিজেকে ‘ডবল ও ডাকের’ সেই রেকর্ডে নিজেকে যুক্ত করেছেন।

তার আউটে দলের জয় ও ড্রয়ের স্বপ্ন গুঁড়িয়ে যায়। আগের তিন উইকেট হারিয়ে ৬৬ রান করে বিপদে পড়া দলকে আরো বিপদে ফেলেন। স্যান্টনারের বলে আউট হয়েছেন উড়িয়ে মারতে গিয়ে। পঞ্চম দিন সকালে তখনো বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসে যোগ হয়নি একটি রানও।

একই টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি ও জিরো করাদের তালিকায়। সাকিবের আগে শুধু অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক রিকি পন্টিংয়ের ভাগ্যে জুটেছিল হারের রেকর্ড।

প্রথম উপমহাদেশের ব্যাটসম্যান হিসেবে ‘ডবল ও ডাক’-এর রেকর্ড ছিল ইমতিয়াজ আহমেদের। পাকিস্তানের হয়ে ১৯৫৫ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেই তিনি প্রথম ইনিংসে ২০৯ রান করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ০ রানে আউট হয়েছিলেন।

তিনিই প্রথম উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান হিসেবে ডবল সেঞ্চুরি করেছিলেন টেস্ট ক্রিকেটে। তবে তিনি তার ইনিংসে দলকে জয়ই এনে দেননি, পাকিস্তানকে বাঁচিয়েছিলেন লজ্জা থেকে। নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে করা ৩৪৮ রানের জবাবে পাকিস্তান ১১১ রানে প্রথম ৬ উইকেট হারিয়েছিল।

৮ নাম্বারে নেমে তিনি ডবল সেঞ্চুরি করেন। তার ব্যাটিংয়ে পাকিস্তানের সংগ্রহ হয়েছিল ৫৬১ রান। অসাধারণ ব্যাটিংয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে তাকে পাঠানো হয়েছিল ২ নাম্বারে। কিন্তু নেমেই ০ রানে আউট হন তিনি।

এরপর ১৯৬৫ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেইমূর নার্স অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ২০১ করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ০ রানে আউট হন। অবশ্য তার এ ব্যাটিংয়ে ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ড্র হয়েছিল।
১৯৮৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান স্যার ভিভ রিচার্ডস প্রথম ইনিংসে ২০৮ ও পরের ইনিংসে ০ রান করে আউট হন। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সে ম্যাচটিও ড্র করে ক্যারিবীয়রা।

২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক রিকি পন্টিং প্রথম ইনিংসে ভারতের বিপক্ষে করেছিলেন ২৪২ রান। তার ব্যাটে অ্যাডিলেডে দলের সংগ্রহ ছিল ৫৫৬ রান। জবাব দিতে নেমে রাহুল দ্রাবিড়ের ডবল ও লক্ষণের সেঞ্চুরিতে হয় ৫২৩ রান। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে পন্টিং ০ রানে আউট হন, সেই সঙ্গে অজিরা গুটিয়ে যায় ১৯৬ রানে। ভারত ম্যাচটি জিতে নিয়েছিল ৪ উইকেটে।-মানবজমিন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here
<