চূড়ান্ত যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ভারতের বায়ু সেনা

0
127

18আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চারিদিকে যুদ্ধের প্রস্তুতি। প্রস্তুতিতে সীমান্তে সেনাবাহিনীর চরম তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে সীমান্ত লাগোয়া গ্রামগুলি থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে স্থানীয় মানুষজনকে। পাকিস্তানকে যাতে যোগ্য জবাব দেওয়া যায় সবক্ষেত্রেই এজন্যে সেনাবাহিনী, বায়ুসেনা এবং নৌসেনাকেও তৈরি রাখা হচ্ছে। স্থলে এবং আকাশপথে যাতে পাক আর্মির উপর অ্যাটার্ক করা যায় সেকারনে সমস্ত বায়ুসেনা ঘাঁটিকে যে কোনও পরিস্থিতিতে তৈরি রাখা হচ্ছে। প্রস্তুত রাখা হচ্ছে রাজ্যের অন্যতম প্রধান বায়ুসেনা ঘাঁটি পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুণ্ডা এয়ারফোর্সকে।

ভারতের কাছে ফাইটার পাইলট তৈরির আঁতুড়ঘর হিসাবে পরিচিত এই ঘাঁটি। উরি হামলা থেকে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক…ভারত-পাক চাপানউতোরের আবহে যখন অস্ত্রে শান দিচ্ছে দুই দেশই, তখন যে কোনও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত কলাইকুণ্ডা। কলাইকুণ্ডা এওসি রাজেশ পুরোহিত সংবাদমাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছেন। অন্যদিকে, সোমবার সেই প্রস্তুতিই প্রাথমিকভাবে সেরে ফেলল এই ঘাঁটির দায়িত্বে থাকা বায়ুসেনা আধিকারিকরা। গতকাল দুপুরে বেশ কয়েকটি হক ফাইটার জেট একসঙ্গে ‘যুদ্ধে’র মহড়া চালায়। রাজেশ পুরোহিত আরও জানিয়েছেন, বায়ুসেনার অন্যতম শক্তি এই ফাইটার জেট হক। এই বোমারু বিমানের মধ্যে উন্নত মিসাইল মোতায়েন রাখা হয়েছে। যে কোনও পরিস্থিতিতে এবং অবস্থায় এই বোমারু বিমান দিয়ে শত্রুপক্ষের উপর হামলা চালাতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

যে কোনও যুদ্ধের ক্ষেত্রে রাজ্যের এই ঘাঁটি প্রচণ্ড গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৬৫ সালে এই ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিল পাকিস্তান। ৭১-র যুদ্ধে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিল কলাইকুণ্ডা বায়ুসেনা ঘাঁটি। কার্গিল যুদ্ধেও গুজরাত উপকূলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এই বায়ুসেনা ঘাঁটিকেই। একদিকে যুদ্ধে অংশগ্রহণ, আরেকদিক প্রশিক্ষণ। দুই দিক থেকে সমান পারদর্শী কলাইকুণ্ডা। এখানে তিন ধাপে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ফাইটার পাইলটদের। প্রসঙ্গত, ১৯৪৩ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কলাইকুণ্ডা বায়ুসেনা ঘাঁটি তৈরি করেছিল ব্রিটিশরা। -কলকাতা২৪

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here