গণ-অভ্যুত্থান দিবসে ফুল দিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা

0
110

9-1ঢাকা: ঊনসত্তরে স্বৈরশাসন উৎখাতের লক্ষ্যে গণ-অভ্যুত্থানের প্রাক্কালে পুলিশের গুলিতে নিহত শহীদ মতিউর রহমানের স্মৃতিফলকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) রাজধানীর বকশীবাজারে নবকুমার ইনস্টিটিউটে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি। এসময় আওয়ামী লীগ নেতা এম এ করিম, চকবাজার আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নবকুমার ইনস্টিটিউটের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সকল শহীদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউরের স্মৃতি অম্লান করে রাখতে এদের স্লোগান ছিলো- “আমাদের হৃদয়ে তোমাদের স্মৃতি রবে চির অম্লান।”

বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মাইলফলক ঊনসত্তরের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন গণ-অভ্যুত্থান রূপ নেয়। এই আন্দোলন দমন করার জন্য তৎকালীন স্বৈর-শাসক আইয়ুব খান ব্যাপক নির্যাতন ও হত্যা চালায়। ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে গুলিবর্ষণ করা হয়, যাতে শহীদ হন মতিউর রহমানসহ আরও শত শত ছাত্র-শ্রমিক ও জনতা।

সেসময় পাকিস্তানি সামরিক শাসন উৎখাতের লক্ষ্যে ১৯৬৯ সালের আজকের দিনে সংগ্রামী জনতা শাসকগোষ্ঠীর দমন-পীড়ন ও সান্ধ্য (কারফিউ) আইন ভঙ্গ করে মিছিল বের করে। মিছিলে পুলিশের গুলিবর্ষণে নিহত হন নবকুমার ইনস্টিটিউশনের নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর রহমান।

আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র শহীদ আসাদের আত্মদানের পর ২১, ২২ ও ২৩ জানুয়ারি শোক পালনের মধ্য দিয়ে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে গণ-অভ্যুত্থানের সৃষ্টি হয় এই দিনে। জনতার জোয়ারে স্বৈরাচারী আইয়ুব সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান অভিযুক্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সবাইকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। পতন ঘটে আইয়ুবের স্বৈরতন্ত্রের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here