গজনফর আলী চেধুরী: একজন অসাধারন মাসুষের জীবন থেকে নেয়া (১১)

0
343

gaznafof_8538-1-300x207রতন তালুকদার: প্রবাসী জীবনে গজনফর আলী চৌধুরী কখনো নীবর থাকেনি। যার রক্তের সাথে দেশপ্রেম ও রাজনীতির সম্পর্ক সে নীরব থাকবে কেন? এই সত্যিই আমর দেখেছি প্রায় তিন দশক ধরে সক্রিয় কমিউনিটিতে। তিনিই গজনফর আলী চৌধুরী। এদেশে আসার পর থেকেই নিজকে মানুষের সেবা ও সাহায্যে করতে ব্যাকুল হয়ে উঠতেন। তাই এখানে কমিউনিটি গড়ে উঠার পর পরই বাংলাদেশের সব এলাকার সংস্কৃতি, ভাষা ভিত্তিক আঞ্চলিকতা ও নিজস্ব পারিবারিক ভিক্তি গড়ে উঠে। প্রবাসে বৃহত্তর সিটেবাসী সংখ্যাগরিষ্ট হলেও নব্বই দশকের কাছাকাছি এসে বাংলাদেশেল অন্যান্য অঞ্চলের প্রবাসীরাও দেশের বাইরে এসে নিজদেরকে প্রতিষ্ঠিত করে । তারপর এই মার্কিন মুল্লুকে বিভিন্ন লটারীর মাধ্যমে যখন শ্রোতের মতো মানুষ ভাসতে ভাসতে এসেছে তখনই আমাদের কমিউনিটি আকাশ ছুয়েছে। গজনফর আলী চৌধুরী একারনেই কমিউনিটি গড়ার কারিগর যে তিনি শুরু থেকেই এই কমিউনিটিতে সচল রহেছেন। একজন অসাম্প্রদায়িক চেতনাও উদার ধর্মীয় চেতনায় তিনি বরাবরেই সবার কাছে একজন প্রিয় মানুষ, ভাল মানুষ হিসেবেই নিজেকে তুলে ধরেছেন।

গজনফর আলী চৌধুরী নিউইয়র্ক এসে গণতন্ত্রী পার্টির যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন, তার সাথে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন ব্যাংকার ফরাশত আলী। মৌলবীবাজারের ফরাশত আলী বাম রাজনীতির মানুষ। অবশেষে বিভ্রান্তিতে ভোগে তিনি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগে যোগদান করেন এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে ফরাশত আলী একজন ব্যাংকার ও স্থায়ী ভাবে বাংলাদেশে বসবাস করছেন। গজনফর আলী সবচেয়ে বড় গুণ তিনি স্বীয় আদর্শ উদ্দেশ্যকে জলাঞ্জলি দেয়নি। বাম রাজনীতি, প্রবাস জীবন সব কিছুর পরও তিনি আদর্শকে সমুন্নত রেখেছেন। একজন বলিষ্ঠও দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গজনফর আলী চৌধুরীর গৌরবময় ইতিহাস পূর্বে আলোচিত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী গজনফর আলী চৌধুরী দীর্ঘজীবন কেটেছে গণতন্ত্রী পার্টির কার্য্যক্রমে। গনতন্ত্রী পার্টি থেকেও অবসর নেয়। চলে যান আরও পশ্চিমে অর্থাৎ মিশিগান রাজ্যে। বেশ ক’বছর সেখোনে থেকে মন টেকেনি। আবার ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে, অর্থ্যাৎ পুবের জৌলুস সাংস্কৃতিতে বসবাসের পর এই মায়ার শহর নিউইয়র্ক আলী পিছু ছাড়েনি, তাই এই শহরের মায়ায় তিনি আবার বন্দি হন জ্যামাইকা এলাকায়। (চলবে)

LEAVE A REPLY