কৌতুহলে বাঁচিয়ে রাখুন সম্পর্ককে

0
232

quesএকটা সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখতে, সুস্থভাবে চালিয়ে যেতে ঠিক কোন কোন বিষয়গুলো দরকার হয়? একরকম চিন্তা-ভাবনা? একই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য? সমাজে একইরকম স্ট্যাটাস? না! একটি সুখী সম্পর্কের পেছনে অনেকটা বড় ভূমিকা রাখে কৌতুহল। একে অন্যের সম্পর্কে জানতে চাওয়ার আগ্রহ। অবশ্য পাল্টা যুক্তিতে অনেকে বলতেই পারেন যে, সম্পর্কের ক্ষেত্রে একে অন্যের সব ব্যাপারে বেশি কৌতুহল দেখালে সেটাকে নক গলানোও মনে হতে পারে। পলে সম্পর্কটা মোড় নিতে পারে বিরক্তিকর একটি দিকে। কিন্তু অতটা বেশি নয়, পরিমিত সেই কৌতুহলের কথা এখানে বলা হয়েছে যেটা হারিয়ে ফেলার কারণে অনেক সম্পর্কই শেষ পর্যন্ত চলে যায় বাতিলের খাতায়। কেন? কারণ-

কৌতুহল পারস্পরিক বোঝাপড়াকে বাড়িয়ে দেয়

সম্পর্কে সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়নি এমন খুব কম মানুষই আছেন। খুব সুন্দর একটা সম্পর্ককেও বাজে একটা পরিস্থিতির মুখে দাঁড় করিয়ে দিতে পারে একে অন্যকে না বোঝা। আর এই সমস্যাকে কাটিয়ে তুলতেই আপনাকে সাহায্য করতে পারে কৌতুহল। কৌতুহলের মাধ্যমে একে অন্যের অবস্থা আর পরিস্থিতি বুঝতে পারেন নারী ও পুরুষ। ফলে বোঝাপড়াটাও হয়ে ওঠে ভালো। নানারকম সমস্যার সমাধানও করা যায় সহজে।

সম্পর্ককে করে তোলে মজাদার

কখনো কখনো মাত্র কয়েকদিনের সম্পর্ককে কেমন পানসে পানসে বলে মনে হলেও বছরের পর বছর ধরে টিকে থাকা সম্পর্কের পরিমাণটাও কিন্তু কম নয়। কেমন এমন হয়? কৌতুহল সাহায্য করে এক্ষেত্রে। আপনি যখন আপনার ভালোবাসার মানুষটার ব্যাপারে কৌতুহল দেখাবেন সে তখন তার সাথে ঘটে চলা নতুন সব ঘটনাগুলো বলবে আপনাকে। একইরকমভাবে আপনিও তার সাথে সব নতুন কথাগুলো বিনিময় করবেন। ফলে পুরোন হবেনা সম্পর্ক। প্রিয়জনকে নতুন করে আবার চিনতে পারবেন আপনি। হাসতে পারবেন একসাথে।

অন্যথায় এমন একটা সময়ে গিয়ে দাঁড়াতে হবে আপনাকে যেখানে আপনি আপনার প্রিয়জনটিকে তো সাথে পাবেন কিন্তু আপনাদের ভেতরে কোন কথাই অবশিষ্ট থাকবেনা। পড়ে থাকবেনা কোন ভালোবাসাও। কীভাবে তৈরি করবেন এই কৌতুহল দেখানোর যথাযথ পরিবেশ? একদম কিচ্ছু লাগবেনা। কেবল প্রশ্ন করুন। কথা বলুন ভালোবাসার মানুষটির সাথে। কারণ শরীর শারিরীক চাহিদা মেটাতে পারলেও এড়িয়ে যাওয়া মন আর মানসিক চাহিদাগুলোই শেষ পর্যন্ত সম্পর্ককে শেষ প্রান্তে নিয়ে যায়। যার অন্যতম একটি পন্থা হচ্ছে কথা।

তাই একে অন্যের সাথে দেখা করুন বা না করুন, কথা বলুন নিয়মিত। প্রিয়জনের খোঁজ নিন। তবে অবশ্যই নিজের কথা বলার পদ্ধতি পাল্টান। আপনার কথা শুনে যেন মনে না হয় যে আপনি প্রশ্নটি করছেন তার ওপর সন্দেহ করে কিংবা অধিকার ফলাতে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন করুন। আপনি যখন তার প্রতি আগ্রহ দেখাবেন তখন সেও আপনার প্রতি আগ্রহ দেখাবে। বেঁচে উঠবে আপনাদের সম্পর্ক নতুন করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here