‘কাতার সংকট’ সৌদিসহ তিন দেশ সফরে এরদোগান

0
81

erdogan_52988_1500810534আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কাতার সংকট সমাধানে আলোচনার জন্য ২ দিনের সফর শুরু করেছে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান। রোববার সকালে এরদোগান সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে দেশ ত্যাগ করেন।

সেখানে সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান ও প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে আলোচনা করবেন।

সৌদি থেকে তিন কাতার ও কুয়েত সফরে যাবেন বলে জানিয়েছে আলজাজিরা ও বিবিসি।

এরদোগান শুক্রবার জুমআর নামাজের সময় কাতারের ওপর নিষেধাজ্ঞাকে ইসলামী মূল্যবোধের বিপরীত বলে মন্তব্য করেন। এসময় তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত এ সমস্যার সমাধান না হবে আমরা ততক্ষণ চেষ্টা চালিয়ে যাব।

এরদোগান বলেন, রাজনৈতিক সমস্যা সাময়িক, কিন্তু অর্থনৈতিক সমস্যা দীর্ঘমেয়াদি। এজন্য উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে কাতারে বিনিয়োগকারীদের এ সমস্যা সমাধানে ভুমিকা রাখা প্রয়োজন।

গত মাসে ‘সন্ত্রাসবাদে সমর্থন দেয়া’ এবং ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার অভিযোগে কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং মিসর।

এরপর দুই দফায় কাতারকে নানা রকম শর্ত দেয় আরব দেশগুলো, যা মানতে অস্বীকৃতি জানায় কাতার।

জুনে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর কাতারের ওপর অবরোধ আরোপের ফলে দেশটিতে যেন খাদ্য সংকট তৈরি না হয় সেই জন্য খাদ্যসামগ্রী পাঠায় তুরস্ক।

সেসময় দেশটির ওপর আরোপ করা অবরোধেরও কড়া সমালোচনা করেছিলেন এরদোগান।

কাতারের সংকটকালে তুরস্কের পাশে দাঁড়ানো নিয়ে বিভিন্ন মতামত দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা। দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক বর্তমান সময়ে খুবই দৃঢ়।

২০১৫ সালে সামরিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করে দুই দেশ। এ ছাড়া কাতারে সামরিক ঘাঁটিও তৈরি করেছে তুরস্ক।

গত বছর প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের বিরুদ্ধে সেনা সদস্যদের একাংশের অভ্যুত্থানের ব্যর্থ চেষ্টার সময় প্রথম রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে সংহতি প্রকাশ করেছিলেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি।

অভ্যুত্থান চেষ্টার পর এরদোগানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাতারের বিশেষ বাহিনীর ১৫০ সদস্যের একটি ইউনিট তুরস্ক পাঠানো হয়েছিল বলেও জানা যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here