এইচআইভির ভ্যাকসিন আবিষ্কার দলে বাঙালি নারী

0
147

164057hiv_lessআগামী বছরের শেষ নাগাদ নতুন এইচআইভি ভ্যাকসিনের পরীক্ষা চালানো হতে পারে। স্ক্রিপস গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানীদের গবেষণার অংশ হিসেবে এ কাজটি করা হবে। এ দলে আছেন বাঙালি মেয়ে অনিতা সরকার। এই ভ্যাকসিন প্রয়োগের ফলে আক্রান্ত ব্যক্তির দেহে অ্যান্টিবডি উৎপন্ন হবে এবং এইচআইভি ভাইরাসের বিস্তারকে রোধ করে ভাইরাসকে অকেজো করে দেবে।

গত মার্চে এই গবেষণাটি প্রকাশ করা হয়। শুরুতেই এই ভ্যাকসিনটি ভাইরাসকে একেবারে নির্মূল করতে পারবে না। তবে শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। গবেষকদের অন্যতম বিজ্ঞানী অনিতা সরকার ভারতীয় বাঙালি। ২০৩০ সালের মধ্যে এইডস-এর বিস্তার রোধ করতে চায় জাতিসংঘ: বিশ্বব্যাপী এইডস-এর বিস্তার ২০৩০ সালের মধ্যে রোধে একটি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে জাতিসংঘ।

এ ছাড়া আর ২০২০ সালের মধ্যে ৩ কোটি এইচআইভি আক্রান্ত শিক্ষার্থীকে চিকিৎসা দেবে জাতিসংঘ। সমালোচকরা অবশ্য বলছেন, এই লক্ষ্যে পৌঁছানো সহজ হবে না। চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে ইউএনএইডস সম্মেলনে এইডস-এর বিস্তার রোধে এই সময় নির্ধারণ করে দেয়া হয়। এ সময় রাশিয়া, ইরান এবং পোল্যান্ড জাতিসংঘের কাছে সমকামী এইডস আক্রান্তদের চিকিৎসার ব্যাপারটি উত্থাপন করে।

জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের প্রেসিডেন্ট মোগেনস লাইকেটফট জানান, এইডস-এর বিস্তার রোধে ‘সাংস্কৃতিক স্পর্শকাতরতা’ বড় একটা ভূমিকা রাখছে। অন্যদিকে, ইউএনএইডস সংস্থার প্রধান মিশেল সিডিবে জানান, ”জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলো ২০২০ সালের মধ্যে নতুন এইচআইভি রোগীর সংখ্যা বছরে ৫ লাখের নিচে নামিয়ে আনবে। যেখানে ২০১৫ সালে নতুন এইচআইভি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২১ লাখ। আর এইচআইভি আক্রান্ত রোগীর মৃতের সংখ্যা ৫ লাখে নামিয়ে আনবে, যেখানে গত বছর প্রাণ হারিয়েছিল ১১ লাখ।” আর ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী এইডস ছড়িয়ে পড়ার হার একেবারে বন্ধ করার চেষ্টা করবে তারা।

জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন সতর্ক করে বলেছেন, এইডস নির্মূল করা অনেক কঠিন। তবে আগামী পাঁচ বছরে বিশ্বের মানুষ চাইলে এই অবস্থার পরিবর্তন হতে পারে। তিনি আরো জানান, ১৫ বছরে এ ব্যাপারে অনেকটাই অগ্রগতি হয়েছে। প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ মানুষকে এইডস রোগে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচানো গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, এই ঘোষণায় মানবাধিকারের প্রতি আরো জোর দেয়া উচিত। এবারের সম্মেলনের উদ্বোধন করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার নাতি এনদাবা, যাঁর বাবা ২০০৫ সালে এইডস-এ আক্রান্ত হয়ে মারা যান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি ৩৫টি দেশের রাষ্ট্র প্রধানদের প্রতি আহ্বান জানান, যাতে তাঁরা এইডস রোগীদের ভ্রমণের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়। “ডয়চে ভেলের প্রতিবেদন”