উইম্বলডনের বিশেষ আকর্ষণ ফেদেরারের ‘জুতা আবিষ্কার’

0
77

federar_51472_1499489037স্পোর্টস ডেস্ক: উইম্বলডনে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে দাঁড়িয়েছে রজার ফেদেরারের জুতা। সাতবারের উইম্বলডন চ্যাম্পিয়নের জুতায় এবারের থিম হচ্ছে লন্ডন। তিন দর্শনীয় প্রতীক টাওয়ার ব্রিজ, দ্য শার্ড ও ঐতিহাসিক নেলসনস কলাম রয়েছে এবার ফেদেরারের জুতায়।

সঙ্গে থাকছে ৭ সংখ্যাটা। সাতবার উইম্বলডন জয়ের প্রতীক হিসেবেই থাকছে ওই বিশেষ সংখ্যাটি। প্রসঙ্গত, অষ্টমবার উইম্বলডন জেতার ব্যাপারে এবার জুয়াড়িদের ফেভারিট ফেদেরারই। জনতার সেরা পছন্দও নিশ্চয়ই তিনিই। বিশেষজ্ঞরাও এবার ফেদেরারকে ওপরে রাখছেন, কারণ বছরের শুরুতে অস্ট্রেলীয় ওপেন জিতে তিনি দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়েছেন। আর তিনি যে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন, সেটা বৃহস্পতিবারও বুঝিয়ে দিলেন ফেদেরার। দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে দুসান লাজোভিচকে তিনি উড়িয়ে দিলেন ৭-৬, ৬-৩, ৬-২-এ।

প্রথম রাউন্ডে মাত্র ৪৩ মিনিট কোর্টে ছিলেন ফেদেরার। তার বিপক্ষ আলেকজান্ডার দোগোপোলভ চোটের জন্য ওয়াকওভার দিয়ে কোর্ট ছেড়ে চলে যান। সেদিন মন ভরেনি ফেদেরার-ভক্তদের। দ্বিতীয় রাউন্ডে কিন্তু ভক্তদের আশ্বস্তই করে গেলেন তিনি, জিততেই এসেছেন। সহজ জয় পেয়ে ফেদেরার বলছেন, ‘শুরুর দিকে একটু চাপে পড়ে গিয়েছিলাম। আমার এখানে খেলতে খুব স্বাচ্ছন্দ্য লাগা উচিত। নিজেকে সেটা বারবার বলছিলাম যে, আমাকে চাপ কাটাতেই হবে।’ সঙ্গে তিনি যোগ করেন, ‘দ্বিতীয় ম্যাচে বেসলাইন থেকে ভালো খেলছিলাম।’

দুরন্ত ফর্ম এবং অভিনব জুতার পাশাপাশি আরও একটি ব্যাপার নিয়ে ফেদেরার শিরোনামে। মঙ্গলবার ম্যাচের পর সাংবাদিক বৈঠক সেরে বেরনোর সময় মিডিয়া সেন্টারের বাইরে অপেক্ষারত জাপানের ইউয়িচি সুগিতাকে দেখে দাঁড়িয়ে তাকে অভিনন্দন জানান ফেদেরার। তাতে সুগিতা মুগ্ধ। সুগিতা বলেছেন, ‘এই উইম্বলডন আমার কাছে আরও বেশি স্পেশাল হয়ে উঠল এ ঘটনার পর। নিজেকে উজাড় করে দেয়ার প্রেরণা পেয়ে গেলাম। দেখা যাক কতদূর এগোতে পারি।’

বেশি দূর অবশ্য সুগিতা এগোতে পারেননি। বৃহস্পতিবারই ১৬ নম্বর কোর্টে দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে তিনি হেরে যান। তবে ফেদেরারের অভিনন্দনে পাওয়া প্রেরণার জোরেই কিনা কে জানে, পাঁচ সেট তুমুল লড়াই করেন। অবশেষে হেরে যান ফ্রান্সের আদ্রিয়ান মানারিনোর কাছে। যাকে আগের টুর্নামেন্টেই ফাইনালে হারিয়েছিলেন ২৮ বছরের জাপানি খেলোয়াড়টি।

প্রথম ম্যাচে লড়াই না করলেও অবশ্য একটা কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলেছেন ফেদেরার। জীবনের ১০ হাজারতম এস মেরে ঢুকে পড়লেন এলিট এস ক্লাবে। যেখানে এতদিন ছিলেন ইভো কার্লোভিচ ও গোরান ইভানিসেভিচ। প্রথমজনের এস-এর সংখ্যা ১২ হাজারেরও বেশি।

গোরান মেরেছেন ১০ হাজার ১৩১টি। তবে এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি বরাবরই সার্ভিসে বৈচিত্র্য আনতে চেয়েছি।’ ওয়েবসাইট।

LEAVE A REPLY