‘ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম ঢেলে সাঝানো সম্ভব নয়’

0
134

8c9cdae2de8fcf356a6e922771177565ঢাকা: ইসলামী বাংকের কার্যক্রমকে ঢেলে সাঝানো প্রসঙ্গে সরকারের অক্ষমতার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেছেন, ‘ইসলামী ব্যাংকে সরকারের শেয়ার ধারণের পরিমাণ মাত্র ০.০০০১৩ ভাগ হওয়ায় ব্যাংকের কার্যক্রমকে ঢেলে সাজানোর জন্য সরকারের পক্ষে কোন বিশেষ পদক্ষেপ বা কর্মসুচি গ্রহণ করা সম্ভব নয়।’

৫ মার্চ রবিবার বিকেলে জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত সংসদ সদস্য সেলিম উদ্দিনের (সিলেট-৫) এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এরআগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিকেল ৫টা ১১ মিনিটে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ বেসরকারি খাতের একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি। ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা কোম্পানিটির মালিক। শেয়ারহোল্ডার কতৃক নির্বাচিত পরিচালকগণ তাদের পক্ষে ব্যাংকের স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে।’

আ. ফ. ম. বাহাউদ্দিন নাছিমের (মাদারীপুর-৩) এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে ব্যাংকিং চ্যানেলে ১ লক্ষ ১৬ হাজার ৮৫৭ কোটি টাকার সমপরিমাণ ফরেন (বিদেশী) রেমিট্যান্স এসেছে, যা এরআগের অর্থবছরের তুলনায় ২ হাজার ১৩৬ কোটি টাকা কম।’

নুরুন্নবী চৌধুরীর (ভোলা-৩) অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ট্রানজিট সুবিধায় কোন দেশকে পণ্য পরিবহণের সুযোগ দেয়া হয়নি এখনও। তবে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান Protocol on Inland Water Transit and Trade (PIWTT) এর আওতায় ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধায় ভারত থেকে পণ্য পরিবাহিত হয়।

সামশুল হক চৌধুরীর (চট্টগ্রাম-১২) এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বৈদিশিক মুদ্রা বা অর্থপ্রাচার রোধে বাংলাদেশ সরকার, সরকারের বিভিন্ন সংস্থা এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফাইইউ) কতৃক সমন্বিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘অর্থপ্রাচার রোধে বর্তমানে বাংলাদেশে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ বলবত রয়েছে, যা গত ২০১৫ সালের ২৬ নভেম্বর সর্বশেষ সংশোধিত হয়। এ আইনের বিধান অনুসারে আমদানির ক্ষেত্রে অতিমূল্যায়ন, রপ্তানির ক্ষেত্রে অবমূল্যায়ন অথবা কোন অসম চুক্তির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাঠালে বা দেশে আনয়নযোগ্য অর্থ বিদেশে রেখে দেওয়াও অর্থ প্রাচার হিসেবে গন্য করা হয়।’

সুকুমার রঞ্জন ঘোষের (মুন্সিগঞ্জ-১) এক প্রশ্নের জবাবে জনগণকে আয়কন দিতে উৎসাহিত করার জন্য জেলা ও উপজেলা সদরে প্রতিবছরই আয়কম মেলার আয়োজন করা হয় বলে জানান তিনি।

আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘এবার দেশের ৮টি বিভাগে ৭ দিন, সকল জেলায় ৪ দিন, ৮৬ উপজেলা শহরে ২ দিন করে দেশের মোট ১৫০টি স্থানে উৎসবমুখর পরিবেশে আয়কম মেলা অনুষ্ঠিত হয়। মেলার শেষ দিনেও করদাতাদের ভিড় ছিল লক্ষণীয়। করদাতাদের মেলায় যাওয়ার সুবিধার্থে পরিবহণের ব্যবস্থা করা হয়।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here