ইসরায়েলের সেনাবাহিনীতে বাড়ছে নারীদের সংখ্যা

0
206

7-1আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মধ্যে যে কৌশলগত ও ব্যাপক পরিবর্তন হচ্ছে তারই অংশ এই নারী। বিপুল সংখ্যক নারী ‘কমব্যাট ইউনিটে’ যোগ দিচ্ছেন।

১৮ বছর বয়সী নারী স্মাদার, তার কাঁধে ঝোলানো রয়েছে একটি স্বয়ংক্রিয় রাইফেল। কঠোর প্রশিক্ষণ চলছে; কিন্তু তারপরও স্মাদারের মুখে অমলিন হাসি। স্মাদারের নারী প্রশিক্ষক বলিষ্ঠ কণ্ঠে তাকে উৎসাহ দিচ্ছেন যেন কঠোর অনুশীলন সে পার হয়ে যেতে পারে।

স্মাদার বলেন, ‘এই ইউনিটকে বেছে নেয়ার জন্য আমার কোনো আফসোস নেই। আমি সম্ভাব্য সবচেয়ে বেশি লড়াকু ইউনিটে যোগ দিতে চাই।’

ইসরায়েলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, মাত্র চার বছর আগে এই কমব্যাট ইউনিটে মাত্র তিন শতাংশ নারী ছিল। বর্তমানে এই ইউনিটে নারীর সংখ্যা বেড়ে সাত শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

২০১৭ সাল নাগাদ এই সংখ্যা বেড়ে ৯ দশমিক ৫ এ পৌঁছাবে বলে সেনাবাহিনী আশা করছে। সমাজের পরিবর্তিত প্রেক্ষাপট ও প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনার অভাব—এই দুই কারণেই কমব্যাট ইউনিটে নারীর সংখ্যা বেড়ে গেছে।

ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর অবস্থান সমাজের প্রাণকেন্দ্রে। এখানে প্রায় সব ইহুদি নাগরিককেই কাজ করতে হয়। বর্তমানে ছেলেদের বয়স ১৮ বছর হলেই দু’বছর আট মাসের জন্য তারা সেনাবাহিনীতে চাকরি করে। অন্যদিকে মেয়েরা দুই বছরের জন্য সেনাবাহিনীতে চাকরি করে।

এমনকি ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠারও আগে থেকেই হাগানায় নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বর্তমানে এই অঞ্চলটি খুবই শক্তিশালী।

অতীতে দেখা গেছে যুদ্ধক্ষেত্রে নারীরা রেডিও অপারেটর অথবা সেবিকা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতো। কিন্তু সেই পরিস্থিতি এখন দ্রুত পাল্টে যাচ্ছে।

ইসরায়েলের সেনাবাহিনীতে ২০০০ সালে নারী ও পুরুষের অংশগ্রহণে ‘ক্যারাকাল ব্যাটালিয়ন’ নামে প্রথম যৌথ ইউনিট গড়ে তোলা হয়। ওই বছরেই দেশটিতে সংশোধিত একটি আইনে বলা হয়, ‘পুরুষদের মতো যেকোনও স্থানে যেকোনও ধরনের কাজ করার সমান অধিকার নারীদের রয়েছে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here