ইকোনমিস্টের গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশ ৯২তম

0
34

ঢাকা: বৈশ্বিক গণতন্ত্র সূচক-২০১৭-তে আট ধাপ পিছিয়ে ৯২তম অবস্থানে আছে বাংলাদেশ। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সার্বিক স্কোর ৫.৪৩। ২০১৬ সালে ৫.৭৩ স্কোর নিয়ে ৮৪তম অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ।

লন্ডনভিত্তিক দ্য ইকোনমিস্ট গ্রুপের গবেষণা ও বিশ্নেষণ বিভাগ ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) বুধবার এ সূচক প্রকাশ করে।

বিশ্বের ১৬৫টি স্বাধীন দেশ ও দুটি সীমান্ত অঞ্চলের ওপর ভিত্তি করে এ সূচক প্রকাশ করা হয়েছে। এসব দেশের গণতান্ত্রিক অবস্থা পর্যালোচনা করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্কোর ১০ ধরা হয়েছে। এর মধ্যে যাদের স্কোর ৮ তাদের বিবেচনা করা হয়েছে পূর্ণ গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে। সে অনুযায়ী ৯.৮৭ স্কোর নিয়ে শীর্ষে আছে নরওয়ে। এ ছাড়া ৯.৫৮ ও ৯.৩৯ স্কোর নিয়ে যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে আছে আইসল্যান্ড ও সুইজারল্যান্ড। আর ১.০৮ স্কোর নিয়ে তলানিতে আছে উত্তর কোরিয়া।

সূচকে নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্কোর ৭.৪২, সরকারি কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে ৫.০৭, জনগণের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে ৫.০০, রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ৪.৩৮ এবং মানুষের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে ৫.২৯। এ ছাড়া গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে ৭ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ৪৯তম। সূচকে এখানকার গণমাধ্যমকে ‘আংশিক স্বাধীন’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, এশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়া অঞ্চল সাংবাদিকদের জন্য বিপজ্জনক জায়গা। বিশেষ করে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ফিলিপাইনের মতো দেশে প্রায়ই সাংবাদিকরা শারীরিক হামলা ও হত্যার হুমকির মুখোমুখি হন।

এক পরিসংখ্যানে ইকোনমিস্ট বলেছে, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৫ শতাংশেরও কম মানুষ ‘পূর্ণ গণতন্ত্রের’ মধ্যে থাকে। তবে ২০১৭ সালে পুরো বিশ্বের সার্বিক গণতান্ত্রিক পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। ২০১৬ সালে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক ক্ষেত্রে সারাবিশ্বের গড় স্কোর ছিল ৫.৫২। কিন্তু ২০১৭ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৫.৪৮। আর সাত মহাদেশের মধ্যে ৫.৬৩ স্কোর নিয়ে এশিয়া আছে সূচকের নিচের দিকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here