আর্জেন্টাইনের গোলে উড়ে গেল মেসির বার্সা

0
131

FBL-EUR-C1-JUVENTUS-BARCELONAস্পোর্টস ডেস্ক: আর্জেন্টিনায় জাতীয় দলে পাওলো দিবালা লিওলেন মেসির সতীর্থ। কিন্তু চ্যাম্পিয়নস লীগের কোয়ার্টার ফাইনালে এই দুই আর্জেন্টাইন ছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বী।

মঙ্গলবার রাতে সব আলো কেড়ে নিয়ে আর্জেন্টাইন এই তরুণ একাই গুড়িয়ে দিলেন মেসিদের। তার জোড়া গোলে জুভেন্টাসের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই পিছিয়ে পড়ে কাতালানরা।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে সফরকারীদের জালে আরেক গোল করে জর্জিও চিল্লিনি লুইস এনরিকের বার্সাকে ম্যাচ থেকেই ছিটকে দেন।

এই জয়ে সেমিফাইনালের পথে এক পা দিয়েই রাখল মাসিমিলিয়ানো আলেজিরির শিষ্যরা। সেমিফাইনালে যেতে হলে ফিরতি লেগে ঘরের মাঠ ন্যু ক্যাম্পে বার্সাকে ৪-০ গোলের ব্যবধানে জিততে হবে।

খেলার ২২ মিনিটের মধ্যেই স্বাগতিক জুভেন্টাস ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। দুটি গোলই আসে পাওলো দিবালার পা থেকে।

খেলার ৭ মিনিটে আর্জেন্টিনার এই ফরোয়ার্ড দলকে এগিয়ে নেন। বার্সার রক্ষণে জুয়ান গুলের্মোর নিখুঁত পাস ধরে টার স্টেগানকে বোকা বানাতে কোনো অসুবিধা হয়নি দিবালার।

এরপর অবশ্য ২১ মিনিটে বার্সাকে সমতায় ফেরানোর দারুণ সুযোগ পান আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা। কিন্তু বুফনকে একা পেয়েও জালে জড়াতে ব্যর্থ হন এই স্প্যানিশ মিড-ফিল্ডার।

মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে কয়েকজনকে কাটিয়ে মেসি জুভেন্টাসের রক্ষণে বাড়ান। ফাঁকায় দাড়িয়ে থাকা ইনিয়েস্তা সেটি ধরে একা পেয়েও বুফনকে ফাঁকি দিতে পারেননি। তার শট হাত দিয়ে কর্নারের বিনিময়ে বাঁচান ইতালির এই গোলরক্ষক।

পরের মিনিটেই পাল্টা আক্রমণে জুভেন্টাস ব্যবধান ২-০ করে ফেলে। বামপ্রান্ত থেকে মানজুকিসের বাড়ানো পাস বাম পায়ের জোরালো শটে জালে জড়ান পাওলো দিবালা।

প্রথমার্ধে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় জুভেন্টাস। বিরতি থেকে ফিরে ৫৫ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান জর্জিও চিল্লিনি। মিরালেমোর কর্নারে মাথা ছুঁইয়ে তিনি বার্সাকে ম্যাচ থেকেই ছিটকে দেন।

এরপর ৬৭ মিনিটে দারুণ সুযোগ পেয়েও উরুগুয়ের স্ট্রাইকার লুইস সুয়ারেজ বুফনকে বিট করতে পারেননি। এরপর দুই মিনিট পর অবশ্য বার্সার একটি পেনাল্টি আবেদন নাকচ করে দেন রেফারি। ডি-বক্সের ভেতরে জর্জিও চিল্লিনির হাতে বল লাগলেও তা রেফারির চোখ এড়িয়ে যায়।

শেষদিকে ব্যবধান কমানোর দুটি সুযোগ আসে মেসি-নেইমার-সুয়ারেজদের সামনে। তবে দুটিতেই তারা ব্যর্থতার পরিচয় দেন।

৮৭ মিনিটে ২৫ গজ দূর থেকে সুয়ারেজের নেয়া কিক কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন চিল্লিনি। আর যোগ করা সময়ে ডি-বক্সে মেসি নিখুঁত পাস দিলেও নেইমারের দুর্বল হেড ধরতে বুফনের কোনো বেগ পেতে হয়নি। এর মধ্য দিয়েই হতাশার রাত উপহার দেন ত্রিফলা মেসি, নেইমার ও সুয়ারেজ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here