আমাকে অভিসংশন করলে সবাই গরিব হয়ে যাবে: হুশিয়ারি ট্রাম্পের

0
16

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে অভিসংশনের বিষয়ে হুশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন- এ ধরনের উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির জন্য ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনবে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ‘ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’ টিভি প্রোগ্রামে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এ হুশিয়ারি দেন।

তিনি বলেন, আমার মনে হয় আমাকে অভিসংশন করা হলে বাজারে ধস নামবে এবং প্রত্যেকেই অনেক গরিব হয়ে যাবে।

আগামী নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্য দিয়ে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ট্রাম্পকে অভিসংশন করা হতে পারে বলে জল্পনা রয়েছে।

এর মধ্যেই ট্রাম্পের সাবেক ব্যক্তিগত আইনজীবী মাইকেল কোহেন সম্প্রতি নির্বাচনী আইন ভঙ্গ নিয়ে দোষ স্বীকার করা এবং সব অপরাধ ‘প্রেসিডেন্টের নির্দেশেই ঘটেছে’ বলে দাবি করেছেন।

কোহেনের এ স্বীকারোক্তির ফলে মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টি প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাতে পারে।

সে ক্ষেত্রে নির্বাচন প্রভাবিত করা ও নির্বাচন ঘিরে আর্থিক কেলেঙ্কারিসহ নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য ট্রাম্পের অভিসংশনের আশঙ্কা বাড়বে।

এ অবস্থায় ট্রাম্পের কণ্ঠে যেন হতাশার সুর শোনা যাচ্ছে। তিনি বলছেন, এত সুকীর্তি করা একজনকে আপনারা কেমন করে অভিসংশন করতে পারেন তা আমি জানি না।

সাক্ষাৎকারে আইনজীবী কোহেনের সঙ্গে তেমন ঘনিষ্ঠতা ছিল না বলে দাবি করেন ট্রাম্প।

তিনি বলেন, কোহেন আমার আইনজীবী ছিলেন, এটি কোনো বড় ব্যাপার নয়। এটি সামান্য ব্যাপার। তিনি আমার এমন কোনো ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি নন।

তবে গত মঙ্গলবার কোহেন নিউইয়র্কের এক ডিস্ট্রিক জজের কাছে যে জবানবন্দি দিয়েছেন তাতে স্পষ্ট ট্রাম্পের দাবি সঠিক নয়।

কোহেন জবানবন্দিতে স্বীকার করেছেন, ট্রাম্পের নির্দেশেই ২০১৬ সালে নির্বাচনের আগে দুই পর্নো তারকাকে মুখ বন্ধ রাখতে তিনি টাকা দিয়েছিলেন।

এ লেনদেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অর্থায়ন আইনবিরোধী এবং নির্বাচন প্রভাবিত করার প্রচেষ্টার শামিল বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচার দলের সাবেক প্রধান পল ম্যানফোর্টকে আর্থিক কেলেঙ্কারির আটটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছেন আদালত। তার ৮০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

ট্রাম্পের সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী ফক্স নিউজের রিপোর্টার আইন্সলে ইয়ারহার্ট বুধবার রাতে ‘হ্যানিটি’ প্রোগ্রামে দাবি করেন, ম্যানফোর্টকে ক্ষমা করে দেয়ার কথা বিবেচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here