আগ্নেয়গিরি ফুঁসছে, কাঁপছে বালি দ্বীপ

0
43

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের মাউন্ট আগুংয়ের জ্বালামুখ দিয়ে ছাই উদগীরণ শুরু হয়েছে। এ কারণে দেশটির কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক প্রশাসন বিপদ সংকেত দিতে বিমান চলাচলে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। ঘন ধোঁয়ায় বালি দ্বীপের আকাশ ঢেকে যাওয়ায় এ ‘রেড এলার্ট’ জারি করা হয়। ছাইয়ের মেঘ ১৯ হাজার ৬৫৪ ফুটের বেশি উচ্চতায় পৌঁছে যেতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের।

সেখানে এখনও বিমান চলাচল স্বাভাবিক আছে বলে জানায় স্থানীয় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। তবে ছাইয়ের কারণে বিমানের ইঞ্জিন নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় কয়েকটি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। ভ্রমণকারীদেরকে তাদের ফ্লাইটের খোঁজ নেয়ার জন্য এয়ারলাইন্স কিংবা ট্রাভেল এজেন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

এ বছরের শুরুর দিকেই অগ্নুৎপাতের ভয়ে প্রায় দেড় লাখ মানুষ দ্বীপ ছেড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে চলে যায়। তাদের মধ্যে ২৫ হাজার মানুষ এখনও অস্থায়ী আশ্রয়স্থলে আছে। এখন অগ্ন্যুৎপাতের আশঙ্কা বেড়ে যাওয়ায় সেখানে আতঙ্ক বিরাজ করছে। সার্ফিং, সৈকত ও প্রাচীন মন্দিরের কারণে পর্যটকদের কাছে বালি দ্বীপ দারুণ জনপ্রিয়। প্রতি বছর প্রায় ৫০ লাখ পর্যটক সেখানে ভ্রমণ করেন। স্থানীয় জনগণের জীবিকাও পর্যটকনির্ভর। কিন্তু সেপ্টেম্বর থেকে মাউন্ট আগুং আবারও সক্রিয় হয়ে উঠতে শুরু করায় এ বছর সেখানে পর্যটকের সংখ্যা অনেক কমে গেছে।

১৯৬৩ সালে সর্বশেষ মাউন্ট আগুং থেকে লাভার উদগীরণ হয়েছিল। সেবার এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয় এবং আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রাম লাভার নিচে চাপা পড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত হওয়ার কারণে টেক্টোনিক প্লেটগুলোর ধাক্কায় ঘনঘন ভূকম্পন ও অগ্নুৎপাতের আশঙ্কা থাকে। সেখানে রয়েছে ১৩০টিরও বেশি জীবন্ত আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here